আহসানগঞ্জ রেলস্টেশন নীলসাগর এক্সপ্রেসের টিকিট মেলে পানদোকানে

আহসানগঞ্জ রেলস্টেশন নীলসাগর এক্সপ্রেসের টিকিট মেলে পানদোকানে

কামাল উদ্দিন টগর:
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ রেলস্টেশনে ঢাকাগামী আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট যেন সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। টিকিট কাউন্টারে কখনই মেলে না টিকিট। অথচ চা স্টল, পানদোকান, ফলের দোকান, ভ্যানচালকসহ ও বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাচ্ছে দ্বিগুণ দামে। এতে ট্রেনযাত্রীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

জানা গেছে, ঢাকাগামী একমাত্র নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি রয়েছে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে। প্রতিনিয়ত এ স্টেশন থেকে রাজশাহীর বাগমারা, নওগাঁর মান্দা, রানীনগর, বগুড়ার নন্দিগ্রামের কিছু অংশ ও নাটোর সিংড়া উপজেলাসহ আত্রাইয়ের বিপুলসংখ্যক যাত্রী নীলসাগর ট্রেনে ঢাকায় যাতায়াত করেন। অথচ এ স্টেশন থেকে ঢাকার জন্য মাত্র ৫২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। তারপরও টিকিট কাউন্টার খোলার সঙ্গে সঙ্গে টিকিট চলে যায় কালবাজারীদের হাতে। ফলে নির্ধারিত সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট পান না সাধারণ যাত্রীরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আহসানগঞ্জ থেকে ঢাকার নীলসাগর ট্রেনের ভাড়া ৩৪০ টাকা। নির্ধারিত ভাড়ায় টিকিট নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তারা টিকিট পান না অথচ খোঁজ করলেই পাওয়া যায় চা স্টল, পান দোকান, ভ্যানচালকসহ বিভিন্ন জায়গায়। যা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয় ঢাকাগামী ট্রেন যাত্রীদের।

ট্রেনযাত্রী তানজিম আহম্মেদ সুমন জানান, ৩ সেপ্টেম্বরের ঢাকার টিকিট নেওয়ার জন্য সকালে লাইনে দাঁড়ানোর পরও টিকিট পাননি। অথচ ওই তারিখের টিকিট চা স্টল, পানের দোকান, ফলের দোকান, স্থানীয় ভ্যানচালকসহ বিভিন্ন স্থানে দ্বিগুণ মূলে পাওয়া যাচ্ছিল। এদিকে টিকিট নিয়ে প্রতিনিয়ত স্থানীয় স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যাত্রীদের কথা কাটাকাটি লেগেই আছে।

এ ব্যাপারে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম জানান, যারা বাহিরে টিকিট বিক্রি করেন তারা যাত্রীবেশে টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে নিয়ে যান। আর যতক্ষণ কাউন্টার কম্পিউটারে টিকিট শো করবে ততক্ষণ যাত্রীদের টিকিট দিতে বাধ্য তারা। যাত্রী বেশে কেউ যদি টিকিট কিনে নিয়ে ব্যবসা করেন তা রোধ করা খুব মুশকিল।

সুত্র:শেয়ার বিজ, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৮

About the Author

RailNewsBD
রেল নিউজ বিডি (Rail News BD) বাংলাদেশের রেলের উপর একটি তথ্য ও সংবাদ ভিত্তিক ওয়েব পোর্টাল।