বাংলাদেশ রেলওয়ে

কৃষিপণ্য ও পার্সেল পরিবহনে বুধবার থেকে বিশেষ ট্রেন

নিউজ ডেস্ক: লকডাউনে সব ধরনের পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের পাশাপাশি বুধবার থেকে কৃষিজাত পণ্য ও পার্সেল পরিবহনে চার জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। গতকাল রেলভবনে ‘লকডাউন এবং কভিডকালীন পণ্যবাহী ও…

Read More

পণ্য পরিবহনে পার্সেল ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রেলওয়ের

জানা গেছে, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে আগে প্রতিদিন পাঁচ-ছয়টি পণ্যবাহী ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করত। কিন্তু যাত্রীবাহী ট্রেন সার্ভিস বন্ধ থাকায় প্রতিদিন গড়ে ১০টি পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করছে। মূলত ইঞ্জিন সংকট না থাকায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ পরিমাণ পণ্যবাহী ট্রেন পরিচালনা করছে রেলওয়ে। তাছাড়া যাত্রীবাহী ট্রেনের কারণে পণ্যবাহী ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লাগতো। বর্তমানে প্রতিটি পণ্যবাহী ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাতে এক-তৃতীয়াংশ কম সময় লাগছে। এতে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের পথ সুগম হয়েছে বলে মনে করছেন রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা। সুজিত সাহা : কভিড-১৯ এর কারণে গত সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। তবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় গতি পেয়েছে। আর আগামীকাল থেকে আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধের কারণে আগের মতো পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। অন্যদিকে ১০ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত ছয়টি ট্রেন পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম ছেড়ে যায়। এর মধ্যে কমলাপুর আইসিডির উদ্দেশে কনটেইনারবাহী ট্রেন ছেড়ে যায় তিনটি। অন্যদিকে সিলেটে ও রংপুরে জ্বালানি তেলবাহী একটি করে এবং তেজগাঁওয়ে চাল নিয়ে একটি ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যায়। জানতে চাইলে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, কভিডের কারণে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রেনের ওপরই গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পূর্বে রোজার আগে পণ্যবাহী ট্রেনের জট কিংবা বন্দরে কনটেইনার আটকে থাকার সমস্যায় পড়তেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের জট নেই। কভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিগত বছরের মতো দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ফের পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালুরও পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কভিড সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালে ২৫ মার্চের পর প্রায় ৬৭ দিন বন্ধ ছিল যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। ওই সময় দেশের বিভিন্ন রুটে কৃষিপণ্য পরিবহনে পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালু করে রেলওয়ে। পাশাপাশি করোনাকালীন ম্যাঙ্গো স্পেশাল, কোরবানির ঈদের আগে পশু পরিবহনের জন্যও বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করেছিল। খুব একটা জনপ্রিয় না হলেও দেশের সংকটকালে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সারা দেশে পৌঁছে যেতে সহায়তা করে। রেলওয়ে আপত্কালীন এসব সার্ভিসের মাধ্যমে খুব একটা লাভ না করলেও সংকটময় সময়ে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পেরেছে। এ কারণে দেশের বিরূপ এ পরিস্থিতিতে নতুন করে পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালুর কথা ভাবছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, শুরুতে পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন দুটি করে পার্সেল ট্রেন সার্ভিস শুরু করবে। এজন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। অনুমতি পাওয়া গেলে রুট নির্ধারণ করে সার্ভিস চালুর ঘোষণা আসবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী রুট ও স্টেশন নির্ধারণ হলেও বিগত বছরের ন্যায় প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন করে সার্ভিস চালানোর চিন্তা রয়েছে রেলওয়ের। পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও-চট্টগ্রাম) মো. আনসার আলী এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রেনের ওপর নির্ভরশীলতা রেলওয়ে। আগে একটি পণ্যবাহী বা কনটেইনারবাহী ট্রেন ১৬-১৮ ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছাত চট্টগ্রাম থেকে। বর্তমানে ১০-১২ ঘণ্টায় একই গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। এজন্য সব ধরনের পণ্যবাহী ট্রেনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ থাকার সুযোগে দেশব্যাপী পণ্য পরিবহনে রেলওয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও মনে করেন তিনি। সূত্র:বণিক বার্তা, এপ্রিল ১৩, ২০২১


লকডাউনে বন্ধ থাকতে পারে যাত্রীবাহী ট্রেন

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ার কারণে সোমবার থেকে সারাদেশে লকডাউনে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকতে পারে। তবে এই সময়ে জরুরি খাদ্য ও পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে।  শনিবার সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার…


কেনা হবে ২০০ আধুনিক কোচ, থাকবে প্রেসিডেন্ট স্যালুনও

মফিজুল সাদিক : বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৬৭টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ রয়েছে। যার মধ্যে ১৭৬টির আয়ুষ্কাল এরইমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে।রেলওয়ে মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী আগামী ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সব রেলওয়ে ট্র্যাক ব্রডগেজ রূপান্তর করা হবে।…


অর্ধেক টিকিট বিক্রি করবে রেল

নিউজ ডেস্ক: সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রেনে মোট আসনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পদক্ষেপ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই…


রেলে বড় নিয়োগ আসছে: রেলমন্ত্রী

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, রেলে লোকবলের অভাবে প্রায় বন্ধ রয়েছে ১৩৬টি স্টেশন। লোকবল সংকট নিরসনে ইতিমধ্যেই আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। এই মাসের মধ্যেই ১০ থেকে ১২ হাজার লোকবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। আমরা…


রেলকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে: মন্ত্রী নূরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক:সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে রেলকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, যে কোনো দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।…


রাজশাহী-আবদুলপুর ডুয়েলগেজ রেলপথ হবে: রেলমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা কমাতে রাজশাহী-আবদুলপুর ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন এমপি। গতকাল রাজশাহীর রেল ভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী একথা জানান। রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘রাজশাহী থেকে…


ঋণ জোগাড় করে দেবে ঠিকাদার, শোধ করবে রেলওয়ে

শামীম রাহমান : ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সেখান থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত হাইস্পিড রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ রেলপথ নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের দুই প্রতিষ্ঠান। যারা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে জিটুজি ও পিপিপির মাধ্যমে। প্রস্তাব অনুযায়ী, চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিআরসিসি) ও চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) যৌথভাবে একটি কোম্পানি গঠন করে রেলপথটি নির্মাণ করবে। এজন্য প্রয়োজনীয় ঋণের সংস্থান ও রেলপথটি নির্মাণের দায়িত্ব নেবে প্রস্তাবিত কোম্পানি। ঋণ পরিশোধ করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। পাঁচ বছর রেলপথটি পরিচালনার পর তা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে এ ধরনের একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে সিআরসিসি ও সিসিইসিসি। ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের পিপিপি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রস্তাবটি রেলওয়েকে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে চীনের বাংলাদেশ দূতাবাসও রেলওয়েকে একই প্রস্তাবের বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছে। রেলভবনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মতামত নেয়ার জন্য তা সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে রেলওয়ে। সিআরসিসি ও সিসিইসিসির প্রস্তাব অনুযায়ী, তাদের নিজস্ব মালিকানাধীন কোম্পানিটি গঠন করা হবে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন-কানুন মেনে। রেলপথটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থানও করবে এই কোম্পানি। সুদসহ রেলপথটির নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ট্রেন পরিচালনার ব্যয় এবং কোম্পানির লাভসহ যে অর্থ খরচ হবে, তা ঋণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে। সিআরসিসি ও সিসিইসিসি স্বল্প সুদে ব্যাংকঋণেরও ব্যবস্থা করে দেবে, তবে এ ঋণ শোধ করতে হবে বাংলাদেশ রেলওয়েকে। ঋণ শোধ করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে সময় পাবে ২০ বছর। প্রতি বছর দুটি করে মোট ৪০টি কিস্তিতে ঋণ শোধ করতে হবে। ঋণের জামিনদার হবে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, রেলপথটি নির্মাণের জন্য গঠিত কোম্পানির সঙ্গে সিআরসিসি ও সিসিইসিসির একটি চুক্তি হবে। এ চুক্তির মাধ্যমে কেবল তারাই রেলপথটির নির্মাণকাজে অংশ নিতে পারবে। রেলপথটি নির্মাণের পর পরবর্তী পাঁচ বছর কিংবা আলোচনা সাপেক্ষে যেকোনো মেয়াদে তা পরিচালনা করবে গঠিত কোম্পানি। তবে এ সময়ে রেলপথটি থেকে যে অর্থ আয় হবে, তা জমা হবে রেলওয়ের কোষাগারে। চীনের প্রস্তাবের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রস্তাবটি এসেছে চীনা দূতাবাস ও সরকারের পিপিপি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। রেলওয়ে কেবল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা। অর্থের সংস্থানের জন্য ইআরডির মতামত নেয়ার প্রয়োজন। ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইস্পিড রেলপথের প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান ও লাইনটি নির্মাণের জন্য চীনের দুই কোম্পানির প্রস্তাবটি ইআরডিতে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ডিএন মজুমদার বণিক বার্তাকে বলেন, প্রস্তাবটি এসেছে সরাসরি চীনের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। নিয়ম অনুযায়ী, সরাসরি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব নিয়ে আমরা কোনো কাজ করতে পারি না। এটা ইআরডির কাছ থেকে আসতে হবে। বিষয়টি আমরা মন্ত্রণালয়কে (রেলপথ) অবহিত করেছি। মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইআরডির মতামত পেলেই প্রস্তাবটির বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ আমরা নিতে পারব। সিআরইসি ও সিসিইসিসি জয়েন্টভেঞ্চার গঠনের মাধ্যমে ‘ডেভেলপমেন্ট অব ঢাকা-চট্টগ্রাম ভায়া কুমিল্লা/লাকসাম হাইস্পিড রেলওয়ে’ প্রকল্পে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করে ২০২০ সালের ৯ অক্টোবর রেলওয়ে প্রথম চিঠি দেয়। পরবর্তীতে চীনের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকেও রেলপথ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দুটি সংস্থারই (সিআরসিসি ও সিসিইসিসি) চীন ও চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে হাইস্পিড রেলপথের উন্নয়ন ও নির্মাণের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি এরই মধ্যে অনেক দেশে জিটুজি-পিপিপি মডেলে একই জাতীয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। অন্যদিকে চলতি বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশের চীনা দূতাবাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দুটি এ-সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব পাঠায় সরকারের পিপিপি কর্তৃপক্ষের কাছে। সেখান থেকে মতামত চাওয়ার জন্য এ-প্রস্তাবটি পাঠানোয় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের কাছে। চীনের বাংলাদেশ দূতাবাস ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া চিঠি দুটি সংযুক্ত করে বিষয়টি সম্পর্কে ‘সুচিন্তিত’ মতামত দেয়ার জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন নির্মাণের জন্য ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম ভায়া কুমিল্লা/লাকসাম দ্রুতগতির রেলপথ নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে করা হয়েছে রেলপথটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যাতে খরচ হয়েছে ১১০ কোটি টাকা। সমীক্ষায় হাইস্পিড রেলপথটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৪০ কোটি ডলার (শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম অংশ)। বর্তমান বিনিময় হারে (প্রতি ডলারে ৮৪ টাকা ৮৭ পয়সা) এর পরিমাণ ৯৬ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। সমীক্ষা অনুযায়ী, হাইস্পিড রেলপথটি নির্মাণ করা হবে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা-ফেনী-চট্টগ্রাম রুটে। রুটটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২২৭ কিলোমিটার। রেলপথটি হবে শুধু যাত্রী পরিবহনের জন্য। ডিজাইন স্পিড ধরা হয়েছে প্রতি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার। স্ট্যান্ডার্ড গেজের দুটি লাইন নির্মাণ করা হবে, যেগুলোর এক্সেল লোড হবে ১৭ টন ধারণক্ষমতার। বিদ্যুত্চালিত রেলপথটি হবে পাথরবিহীন। ব্যবহার করা হবে অত্যাধুনিক ‘অটোমেটিক ব্লক’ সিগন্যাল ব্যবস্থা। রেলপথটিতে একটি ট্রেন বিরতিহীনভাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যেতে সময় নেবে ৫৫ মিনিট। আর বিরতি দিয়ে চললে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে সময় লাগবে ৭৩ মিনিট। দিনে প্রায় ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা যাবে হাইস্পিড রেলপথটি দিয়ে। জানা গেছে, বর্তমানে রেলপথটির নকশা তৈরির কাজ চলমান আছে। নকশা প্রণয়ন কাজের মেয়াদ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত থাকলেও তা এরই মধ্যে শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। আগামী মার্চের মধ্যে চূড়ান্ত নকশা তৈরি হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। চীনের ‘চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন’ (সিডিআরসি) ও বাংলাদেশের ‘মজুমদার এন্টারপ্রাইজ’ বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ করছে। সূত্র:বণিক বার্তা


ট্রেনের টিকিট কাটার নতুন নিয়ম

নিউজ ডেস্ক: ভ্রমণের জন্য ১০ দিন আগে টিকিট কাটার নিয়ম পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১০ দিনের বদলে পাঁচদিন আগে টিকিট কাটতে হবে। আগামী ৫ এপ্রিল নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে।  মঙ্গলবার (৯…