বাংলাদেশ রেলওয়ে

পদ্মা সেতু চালুর দিনই ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর ওপর রেলওয়ে ট্র্যাক (রেল লাইন) বসানোর কাজ শুরু হবে আগামী জুলাই মাসে। চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যেই পুরো সেতুর ওপর ট্র্যাক বসানোর কাজটি শেষ হয়ে যাবে। আগামী বছর যখন পদ্মা সেতু চালু হবে, তখন একই দিনে মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হবে। গতকাল মাওয়া প্রান্তে রেলসংযোগ প্রকল্পের ভায়াডাক্টের সর্বশেষ স্প্যান বসানোর কাজ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেছেন রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। রেলমন্ত্রীর উপস্থিতিতে গতকাল পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ভায়াডাক্ট-২-এর সেগমেন্টাল গার্ডার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। ভায়াডাক্ট-২-এর দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৫৮৯ দশমিক ২ মিটার। ৬৫টি স্প্যানের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে এ ভায়াডাক্ট। গতকাল শেষ স্প্যান বসানোর মাধ্যমে ভায়াডাক্টটি মূল সেতুর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সময় রেলমন্ত্রীর সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, ইন্টারন্যাশনাল কনসালট্যান্ট কনসোর্টিয়ামের চিফ কো-অর্ডিনেটর অফিসার (সিওও) মেজর জেনারেল জাহিদ এবং চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেডের (সিআরইসি) প্রকল্প পরিচালক ওয়্যাং কুন। এ সময় রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু, দেশের অনেক বড় অর্জন। এটি দেশের একটি বৃহৎ সামর্থ্য। পদ্মা সেতুতে সড়ক ও রেলপথ যুক্ত আছে। রেলের অংশটি ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধরা আছে। তবে আগামী বছর পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিনে মাওয়া প্রান্ত থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চালু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী দ্রুত কাজ চলমান আছে। মন্ত্রী আরো বলেন, করোনা ও লকডাউনের মধ্যেও প্রকল্পের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সার্বিক কার্যক্রম চলমান আছে। মাওয়া প্রান্তে রেলপথের ভায়াডাক্টটি (ভায়াডাক্ট-২) আজ (গতকাল) মূল সেতুর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এখন রেল সংযোগ প্রকল্পের নির্মাণকাজ ৪১.৫৯ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। এ সময় সিআরইসির প্রকল্প পরিচালক ওয়্যাং কুন বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সিআরইসি অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ভূমি অধিগ্রহণ, নকশার অনুমোদন ও পাওনা পরিশোধে বিলম্ব হওয়ায় নির্মাণকাজে প্রায় দেড় বছর কালক্ষেপণ হয়। পরে করোনা মহামারী আর বন্যার কারণেও কাজ বিঘ্নিত হয়। তবে সব প্রতিকূলতা দূর করে আমরা নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছি। চীন ছাড়া এমন দ্রুতগতির কাজ বিশ্বের অন্য কোথাও হয় না বলেও এ সময় উল্লেখ করেন তিনি। সিআরইসির প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, রেল সংযোগ প্রকল্পটির মাওয়া-ভাঙ্গা অংশটির কাজ অনেকটাই গুছিয়ে আনা হয়েছে। অংশটি রেললাইন বসানোর জন্য প্রায় প্রস্তুত করে ফেলা হয়েছে। দু-এক মাসের মধ্যেই রেললাইন বসানোর কাজ শুরু হবে। সূত্র:বণিক বার্তা, ৫ মে ২০২১

Read More

কোরীয় ১০ ইঞ্জিন বহরে যুক্ত করতে উদ্যোগ রেলওয়ের

সুজিত সাহা দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে দেশে পৌঁছে ১০টি মিটার গেজ লোকোমোটিভ। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী না হওয়ায় এসব লোকোমোটিভ কমিশনিং না করে ফেলে রাখা হয়। সরবরাহকারী ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে রেলওয়ে এসব ইঞ্জিন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমদানির প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষামূলক চালানোর (ট্রায়াল রান) আট মাস পর দ্বিতীয় দফায় ইঞ্জিনগুলোর ট্রায়াল রান আবার শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। জানা গেছে, আমদানি হওয়া লোকোমোটিভের ৩০০১ নম্বর ইঞ্জিনটি পরীক্ষামূলকভাবে ৬০১ নং ট্রেন অর্থাৎ চট্টগ্রাম বন্দরের সিজিপিওয়াই ইয়ার্ড থেকে কনটেইনার নিয়ে কমলাপুর আইসিডিতে গেছে। ধারাবাহিকভাবে নয়টি ইঞ্জিনও কনটেইনারবাহী ট্রেনে ট্রায়াল রান সম্পন্ন করবে রেলওয়ে। এ পরীক্ষায় চালক ও গার্ড প্রধানত সাতটি সুনির্দিষ্ট ত্রুটি-বিচ্যুতি কিংবা এর বাইরে অন্য কোনো সমস্যা পাওয়া গেলে তা শনাক্ত করবেন। তবে কোনো ত্রুটি পাওয়া না গেলে রিপোর্ট অনুযায়ী গভর্নমেন্ট ইন্সপেকশন অব বাংলাদেশ রেলওয়ের (জিআইবিআর) মাধ্যমে কমিশনিং শেষে রেলের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগের কাছে এসব ইঞ্জিন সরবরাহ করা হবে। আমদানির পর ৩ সেপ্টেম্বর থেকে এসব ইঞ্জিনের ট্রায়াল রান হয়ে যায়। ওই ট্রায়ালগুলো সন্তোষজনক হলেও অল্টারনেটরে সামান্য বিচ্যুতি পাওয়া যায়। কিন্তু বিড ডকুমেন্ট অনুযায়ী ২২০০ হর্স পাওয়ারের অল্টারনেটর সরবরাহ না করায় এসব ইঞ্জিন গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন রেলওয়ের নিযুক্ত তত্কালীন প্রকল্প পরিচালক মো. নূর আহম্মদ। এ কারণে গত ১ এপ্রিল নূর আহম্মদকে বদলি করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয় মো. হাসান মনসুরকে। নতুন পিডি নিয়োগের পর প্রায় আট মাস বসিয়ে রাখা ইঞ্জিনগুলো রেলের বহরে যুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে রেলওয়ে। ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটির (পিআইসি) তৃতীয় সভায় কোরিয়া থেকে আমদানি হওয়া ইঞ্জিনগুলোর বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে ইঞ্জিনগুলো বিড ডকুমেন্ট অনুযায়ী হয়নি বলে দাবি করেন তত্কালীন পিডি নূর আহম্মদ। বৈঠকে পিডি উল্লেখ করেন, ‘আমদানি হওয়া ইঞ্জিনগুলো মিটার গেজ থেকে ব্রড গেজে রূপান্তরযোগ্য। যার কারণে ইঞ্জিন, অল্টারনেটর ও ট্রাকশন মোটর মিটার গেজ অপেক্ষা শক্তিশালী। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান লোকোমোটিভের অল্টারনেটর চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ করেননি এবং এটা বড় ধরনের কোনো সমস্যা না হলেও ইঞ্জিন হর্স পাওয়ার ২০০০ এবং অল্টারনেটরও ২০০০ হর্স পাওয়ার দেয়া হয়েছে। বিড ডকুমেন্ট অনুযায়ী ২০ শতাংশ এক্সট্রা জেনারেটর পাওয়ার সম্পন্ন অল্টারনেটরের কথা উল্লেখ রয়েছে। এটি থাকলে লোকোমোটিভ দ্রুত স্পিডআপ হয়। কভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে ইঞ্জিন উৎপাদনের সময় রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট অফিসাররা কোরিয়ায় ট্রেনিং ও স্টাডি ট্যুরে যেতে না পারায় চুক্তির শর্ত অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়া সত্ত্বেও এসব ইঞ্জিন সরবরাহ হয়েছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। এ কারণে আমদানি হওয়া ইঞ্জিনে দেয়া যন্ত্রাংশ চুক্তি অনুযায়ী না হওয়ায় ইঞ্জিনগুলো গ্রহণ ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে বকেয়া পেমেন্ট দিতে পারছে না বলে দাবি করেন তিনি। একই বছরের ১৩ অক্টোবর মাসিক উন্নয়ন সভায় বিষয়টি সমাধানের জন্য রেলপথমন্ত্রী একটি কমিটি গঠন করেন। যদিও কমিটির প্রতিবেদন প্রদানের পর রেলওয়ে চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহকৃত ইঞ্জিনের দায়দায়িত্ব নির্ধারণ সাপেক্ষে ট্রায়াল রান ও কমিশনিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে রেলওয়ে। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হুন্দাই রোটেম শর্ত অনুযায়ী সরবরাহ না করার পরিপ্রেক্ষিতে আমদানির পর প্রায় আট মাস বসিয়ে রাখা হয় ১০টি ইঞ্জিন। বর্তমানে শর্ত অনুযায়ী সরবরাহ না করায় রেলের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে সে অনুযায়ী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে পেমেন্ট দেবে রেলওয়ে। প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৭ মে ১০টি মিটার গেজ লোকোমোটিভ সরবরাহে দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই রোটেম কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ২৯৭ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার ৫৬০ টাকা ব্যয়ে ক্রয় করা ইঞ্জিনগুলো চুক্তির ২৪ মাসের মধ্যে সরবরাহ করার কথা ছিল। তবে বিশ্বব্যাপী চলমান কভিড-১৯-এর কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগে বাংলাদেশে পৌঁছাতে। দক্ষিণ কোরিয়ার একই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কেনা নয়টি ইঞ্জিন ২০১১ সালে রেলের বহরে যুক্ত হয়। ২১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রয় করা ইঞ্জিনের প্রথম চারটির চালান বাংলাদেশে আসে ২০১১ সালের ২ আগস্ট। এরপর একই বছরের অক্টোবরে বাকি পাঁচটি ইঞ্জিন বাংলাদেশে আসে। জানতে চাইলে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শর্ত অনুযায়ী সরবরাহ করেনি বলে মাসের পর মাস আমদানি হওয়া ইঞ্জিন বসিয়ে রাখা রেলের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। শর্ত ভঙ্গ করলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হিসাব করে পেমেন্ট কর্তন করা হবে। এজন্য নতুন করে ট্রায়াল রান করিয়ে ইঞ্জিনগুলো রেলের বহরে যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আশা করি শিগগিরই এসব ইঞ্জিন রেলের যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে। সূত্র:বণিক বার্তা, মে ০১, ২০২১


কৃষিপণ্য ও পার্সেল পরিবহনে বুধবার থেকে বিশেষ ট্রেন

নিউজ ডেস্ক: লকডাউনে সব ধরনের পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের পাশাপাশি বুধবার থেকে কৃষিজাত পণ্য ও পার্সেল পরিবহনে চার জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। গতকাল রেলভবনে ‘লকডাউন এবং কভিডকালীন পণ্যবাহী ও…


পণ্য পরিবহনে পার্সেল ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রেলওয়ের

জানা গেছে, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে আগে প্রতিদিন পাঁচ-ছয়টি পণ্যবাহী ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করত। কিন্তু যাত্রীবাহী ট্রেন সার্ভিস বন্ধ থাকায় প্রতিদিন গড়ে ১০টি পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করছে। মূলত ইঞ্জিন সংকট না থাকায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ পরিমাণ পণ্যবাহী ট্রেন পরিচালনা করছে রেলওয়ে। তাছাড়া যাত্রীবাহী ট্রেনের কারণে পণ্যবাহী ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লাগতো। বর্তমানে প্রতিটি পণ্যবাহী ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাতে এক-তৃতীয়াংশ কম সময় লাগছে। এতে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের পথ সুগম হয়েছে বলে মনে করছেন রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা। সুজিত সাহা : কভিড-১৯ এর কারণে গত সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। তবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় গতি পেয়েছে। আর আগামীকাল থেকে আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধের কারণে আগের মতো পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। অন্যদিকে ১০ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত ছয়টি ট্রেন পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম ছেড়ে যায়। এর মধ্যে কমলাপুর আইসিডির উদ্দেশে কনটেইনারবাহী ট্রেন ছেড়ে যায় তিনটি। অন্যদিকে সিলেটে ও রংপুরে জ্বালানি তেলবাহী একটি করে এবং তেজগাঁওয়ে চাল নিয়ে একটি ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যায়। জানতে চাইলে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, কভিডের কারণে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রেনের ওপরই গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পূর্বে রোজার আগে পণ্যবাহী ট্রেনের জট কিংবা বন্দরে কনটেইনার আটকে থাকার সমস্যায় পড়তেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের জট নেই। কভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিগত বছরের মতো দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ফের পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালুরও পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কভিড সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালে ২৫ মার্চের পর প্রায় ৬৭ দিন বন্ধ ছিল যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। ওই সময় দেশের বিভিন্ন রুটে কৃষিপণ্য পরিবহনে পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালু করে রেলওয়ে। পাশাপাশি করোনাকালীন ম্যাঙ্গো স্পেশাল, কোরবানির ঈদের আগে পশু পরিবহনের জন্যও বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করেছিল। খুব একটা জনপ্রিয় না হলেও দেশের সংকটকালে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সারা দেশে পৌঁছে যেতে সহায়তা করে। রেলওয়ে আপত্কালীন এসব সার্ভিসের মাধ্যমে খুব একটা লাভ না করলেও সংকটময় সময়ে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পেরেছে। এ কারণে দেশের বিরূপ এ পরিস্থিতিতে নতুন করে পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চালুর কথা ভাবছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, শুরুতে পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন দুটি করে পার্সেল ট্রেন সার্ভিস শুরু করবে। এজন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। অনুমতি পাওয়া গেলে রুট নির্ধারণ করে সার্ভিস চালুর ঘোষণা আসবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী রুট ও স্টেশন নির্ধারণ হলেও বিগত বছরের ন্যায় প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন করে সার্ভিস চালানোর চিন্তা রয়েছে রেলওয়ের। পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও-চট্টগ্রাম) মো. আনসার আলী এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রেনের ওপর নির্ভরশীলতা রেলওয়ে। আগে একটি পণ্যবাহী বা কনটেইনারবাহী ট্রেন ১৬-১৮ ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছাত চট্টগ্রাম থেকে। বর্তমানে ১০-১২ ঘণ্টায় একই গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। এজন্য সব ধরনের পণ্যবাহী ট্রেনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ থাকার সুযোগে দেশব্যাপী পণ্য পরিবহনে রেলওয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও মনে করেন তিনি। সূত্র:বণিক বার্তা, এপ্রিল ১৩, ২০২১


লকডাউনে বন্ধ থাকতে পারে যাত্রীবাহী ট্রেন

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ার কারণে সোমবার থেকে সারাদেশে লকডাউনে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকতে পারে। তবে এই সময়ে জরুরি খাদ্য ও পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে।  শনিবার সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার…


কেনা হবে ২০০ আধুনিক কোচ, থাকবে প্রেসিডেন্ট স্যালুনও

মফিজুল সাদিক : বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৬৭টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ রয়েছে। যার মধ্যে ১৭৬টির আয়ুষ্কাল এরইমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে।রেলওয়ে মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী আগামী ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সব রেলওয়ে ট্র্যাক ব্রডগেজ রূপান্তর করা হবে।…


অর্ধেক টিকিট বিক্রি করবে রেল

নিউজ ডেস্ক: সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রেনে মোট আসনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পদক্ষেপ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই…


রেলে বড় নিয়োগ আসছে: রেলমন্ত্রী

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, রেলে লোকবলের অভাবে প্রায় বন্ধ রয়েছে ১৩৬টি স্টেশন। লোকবল সংকট নিরসনে ইতিমধ্যেই আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। এই মাসের মধ্যেই ১০ থেকে ১২ হাজার লোকবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। আমরা…


রেলকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে: মন্ত্রী নূরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক:সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে রেলকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, যে কোনো দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।…


রাজশাহী-আবদুলপুর ডুয়েলগেজ রেলপথ হবে: রেলমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা কমাতে রাজশাহী-আবদুলপুর ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন এমপি। গতকাল রাজশাহীর রেল ভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী একথা জানান। রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘রাজশাহী থেকে…