বাংলাদেশ রেলওয়ে

২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী

নিজস্বপ্রতিবেদক: রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইনের কাজ সম্পন্ন হবে। এরপর ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার ট্রেন চালু হবে। গতকাল কক্সবাজারে আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে গিয়ে তিনি…

Read More

বিনিয়োগে আগ্রহী চীনের দুই কোম্পানি, পিপিপিতে নির্মাণের প্রস্তাব

শামীম রাহমান : ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইস্পিড রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এজন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পর চীন ও বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে রেলপথটির বিস্তারিত নকশাও তৈরি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে রেলপথটি নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের দুই প্রতিষ্ঠান। চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিআরসিসি) ও চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে রেলপথটি নির্মাণের প্রস্তাব করেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইস্পিড রেলপথটি নির্মাণ করতে চায় চীনের নির্মাণ খাতের প্রতিষ্ঠান সিআরসিসি ও সিসিইসিসি। বাংলাদেশের চীনা দূতাবাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দুটি এ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে সরকারের পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির কাছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মতামত চাওয়ার জন্য এ প্রস্তাবটি বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি। বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন নির্মাণের জন্য ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম ভায়া কুমিল্লা/লাকসাম দ্রুতগতির রেলপথ নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে করা হয়েছে রেলপথটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যাতে খরচ হয়েছে ১১০ কোটি টাকা। সমীক্ষায় হাইস্পিড রেলপথটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৪০ কোটি ডলার (শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম অংশ)। বর্তমান বিনিময় হারে (প্রতি ডলারে ৮৪ টাকা ৮৭ পয়সা) এর পরিমাণ ৯৬ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। এ বিনিয়োগের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টারনাল রেট অব রিটার্ন (এফআইআরআর) ধরা হয়েছে ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর ইকোনমিক ইন্টারনাল রেট অব রিটার্ন (ইআইআরআর) ধরা হয়েছে ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। হাইস্পিড রেলপথটি নির্মাণ করা হবে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা-ফেনী-চট্টগ্রাম রুটে। রুটটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২২৭ কিলোমিটার। রেলপথটি হবে শুধু যাত্রী পরিবহনের জন্য। ডিজাইন স্পিড ধরা হয়েছে প্রতি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার। স্ট্যান্ডার্ড গেজের দুটি লাইন নির্মাণ করা হবে, যেগুলোর এক্সেল লোড হবে ১৭ টন ধারণক্ষমতার। বিদ্যুচ্চালিত রেলপথটি হবে পাথরবিহীন। ব্যবহার করা হবে অত্যাধুনিক ‘অটোমেটিক ব্লক’ সিগন্যাল ব্যবস্থা। রেলপথটিতে একটি ট্রেন বিরতিহীনভাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যেতে সময় নেবে ৫৫ মিনিট। আর বিরতি দিয়ে চললে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছতে সময় লাগবে ৭৩ মিনিট। দিনে প্রায় ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা যাবে হাইস্পিড রেলপথটি দিয়ে। চীনের দুটি কোম্পানি পিপিপির মাধ্যমে নির্মাণের প্রস্তাব করলেও হাইস্পিড রেলপথটির অর্থায়ন পদ্ধতি এখনো চূড়ান্ত করে উঠতে পারেনি রেলপথ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টাকার অংকে এটি হবে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা কঠিন। বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানতে চাইলে হাইস্পিড রেলপথটির ‘সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. কামরুল আহসান বণিক বার্তাকে বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশার কাজগুলোই করছি। অর্থায়ন বা বিনিয়োগের বিষয়ে আমরা কোনো কাজ করছি কিনা। এমনকি প্রকল্প পিপিপি বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে হবে—তা-ও ঠিক হয়নি। বর্তমানে রেলপথটির নকশা তৈরির কাজ চলমান আছে। প্রকল্প পরিচালক ড. কামরুল আহসান জানিয়েছেন, নকশা প্রণয়ন কাজের মেয়াদ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত থাকলেও তা এরই মধ্যে শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। আগামী মার্চের মধ্যে চূড়ান্ত নকশা তৈরি হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি। চীনের ‘চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন’ (সিডিআরসি) ও বাংলাদেশের ‘মজুমদার এন্টারপ্রাইজ’ বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ করছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ নির্মাণে বিনিয়োগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বণিক বার্তাকে বলেন, এটা অনেক টাকার প্রকল্প। বিদেশী সাহায্য ছাড়া আমাদের পক্ষে বাস্তবায়ন করা কঠিন। বিনিয়োগের জন্য আমরা প্রয়োজনীয় কাজগুলো করে যাচ্ছি। মন্ত্রী আরো বলেন, হাইস্পিড রেলপথের সঙ্গে আরো কিছু বিষয় জড়িত। রেলপথটিতে যেসব ট্রেন চলাচল করবে, সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আলাদা ওয়ার্কশপ লাগবে। দক্ষ জনবলও লাগবে। রেলপথটি যেহেতু এলিভেটেড হবে, সেহেতু কমলাপুরের সঙ্গে এর সংযোগটি নিয়েও বিশদ পরিকল্পনার প্রয়োজন। হাইস্পিড ট্রেনের বিষয়টা মাথায় রেখে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনটি আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সব কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। সূত্র:বণিক বার্তা, জানুয়ারি ০৯, ২০২১


বাবার কেনা জমিতে প্রথম কবর রেল দুর্ঘটনায় নিহত দুই ছেলের

।। নিউজ ডেস্ক ।।পারিবারিক গোরস্থানের জন্য বাড়ির সামনেই ৭ শতক জমি কেনেন পল্লীচিকিৎসক আলতাফ হোসেন। সেই জমিতেই প্রথম দাফন হলো তার দুই ছেলের। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল রেলগেট এলাকায়…


বাংলাদেশ-ভারত রেলপথ: বন্ধ আট লাইনের পাঁচটি চালু

 শিপন হাবীব  : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন বন্ধ রেলপথগুলো একে একে চালু হচ্ছে। রেলওয়ের সংযোগ পয়েন্ট চালুর মধ্য দিয়ে দু’দেশের যাত্রী ও মালামাল পরিবহনে আমূল পরিবর্তন আসছে। বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের মধ্যে ৭-৮টি পুরনো…


রেলের নতুন অতিরিক্ত মহা-পরিচালক শাহাদত আলী

বাংলাদেশ রেলওয়ের নতুন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) হিসেবে নিয়োগ পেলেন সরদার শাহাদত আলী। রোববার (৬ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপ-সচিব আব্দুর রহিম স্বাক্ষরিত এই সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। এর আগে সরদার শাহাদাত আলী অতিরিক্ত মহা-ব্যবস্থাপক পূর্ব…


কাল বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আগামীকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মসূচি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু সেতুর…


ভাঙা পড়বে ঐতিহ্যবাহী কমলাপুর রেলস্টেশন

আনোয়ার হোসেন: রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা কমলাপুর রেলস্টেশন স্থানান্তরের প্রস্তাব এসেছে। বর্তমান স্থানে স্টেশনটি থাকলে নির্মাণাধীন ঢাকা মেট্রোরেলের স্থাপনার আড়ালে পড়ে যাবে। আবার কমলাপুর স্টেশনকে ঘিরে নেওয়া মাল্টিমোডাল হাব নির্মাণ প্রকল্পও বাধাগ্রস্ত হবে। এ বিবেচনায় স্টেশনটি…


বঙ্গবন্ধু রেল সেতু নির্মাণ উদ্বোধন ২৯ নভেম্বর: রেলপথমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সুদূর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে যাচ্ছি। এই সেতু চালু হলে এক কিলোমিটার গতিতে দুটি ট্রেন চলাচল করতে পারবে। এর…


প্রাইভেটের চেয়ে রেলের নিজস্ব ক্যাটারিং লাভজনক

শামীম রাহমান : আন্তঃনগর ট্রেনে সরবরাহ করা খাবারের মান নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগ বেশ পুরনো। তাদের আপত্তি রয়েছে সরবরাহ করা খাবারের দাম নিয়েও। বাংলাদেশ রেলওয়ের সিংহভাগ ট্রেনে খাবার সরবরাহ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের খাবার ও বাড়তি দাম আদায় করলেও তার দায়দায়িত্ব এসে পড়ে রেলওয়ের কাঁধে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বদলে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে খাবার সরবরাহ শুরু করেছে রেলওয়ে। বর্তমানে দেশের চারটি ট্রেনে রেলওয়ের নিজস্ব ক্যাটারিং কোম্পানি ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম সেল বা বিআরসিটিসির মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। রেলওয়ের হিসাব বলছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দিয়ে যা আয় হতো, চারটি ট্রেনে বিআরসিটিসি আয় করছে তার চেয়ে বেশি। বর্তমানে আন্তঃনগর বনলতা এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, বেনাপোল এক্সপ্রেস ও কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসে কার্যক্রম পরিচালনা করছে রেলওয়ের ক্যাটারিং কোম্পানি বিআরসিটিসি। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, চালুর পর থেকে এসব ট্রেন থেকে ক্যাটারিং বাবদ ৭ লাখ ৩২ হাজার ৯৬২ টাকা রেলওয়ের খাতে জমা করা হয়েছে। এর মধ্যে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে এসেছে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬৫২ টাকা। একইভাবে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস থেকে ১ লাখ ৭৮ হাজার ১৫৮, বেনাপোল এক্সপ্রেস থেকে ৭৪ হাজার ২২৬ ও কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে ১ লাখ ৩ হাজার ৯২৬ টাকা রেলওয়ের কোষাগারে জমা হয়েছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় বলছে, বিআরসিটিসি থেকে যা আয় হয়েছে, তা রেলওয়ের কাছ থেকে ইজারা নেয়া অন্য যেকোনো ক্যাটারিং কোম্পানির চেয়ে বেশি। পাশাপাশি বেসরকারি ক্যাটারিং কোম্পানির চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম দামে মানসম্মত খাবার সরবরাহ করছে বিআরসিটিসি। প্রতিষ্ঠানটি তদারকি, মান নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ করার জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয় পাঁচ সদস্যের একটি কমিটিও করে দিয়েছে। এ কমিটির সুপারিশের আলোকেই রেলওয়ে ক্যাটারিং সার্ভিস পরিচালনা করছে। ট্রেনে খাবারের মান বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নত যাত্রীসেবা প্রদানের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেনে ক্যাটারিং সার্ভিসে নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২০’ সম্প্রতি অনুমোদন হয়েছে। এ নীতিমালায় ট্রেনে খাবার সরবরাহের দায়িত্ব পাওয়ার জন্য বেসরকারি ক্যাটারিং কোম্পানিগুলোর জন্য বেশকিছু শর্ত আরোপ করে দেয়া হয়েছে। রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে ক্যাটারিং সার্ভিস পরিচালনার ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরতা থেকে বের হয়ে আসবে। এজন্য নতুন করে ক্যাটারিং নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিমালার আলোকে রেলওয়ে যেসব নতুন ট্রেন প্রবর্তন করবে, সেগুলোয় রেলওয়ের নিজস্ব ক্যাটারিং কোম্পানি খাবার সরবরাহ করবে। পাশাপাশি বর্তমানে রেলওয়ে যেসব ক্যাটারিং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ, সেগুলোর সঙ্গেও নতুন করে আর চুক্তি করা হবে না। উদাহরণ হিসেবে মন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচল করা সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ক্যাটারিং সার্ভিস এতদিন পর্যটন করপোরেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। ১৫ নভেম্বর পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে রেলওয়ের চুক্তি শেষ হয়। এর পর থেকে সোনার বাংলা এক্সপ্রেসে ক্যাটারিং পরিচালনা করবে বিআরসিটিসি। ক্যাটারিং সার্ভিসের পাশাপাশি ট্রেনগুলোয় নিজস্ব ব্র্যান্ডের পানিও বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ পানির নাম ‘রেলপানি’। রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ক্যাটারিং বিষয়ক সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত সময়োপযোগী বিবেচনায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক্রমে মাঠ পর্যায়ের জরিপের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় রেলওয়ের ন্যায় প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ রেলওয়েতে নিজস্ব ব্র্যান্ডের পানি সরবরাহের বিষয়টি প্রশাসনিক অনুমোদন পায়। এরপর উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ১০টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র দলিল ক্রয় করে। দরপত্র দাখিল করে প্রাণ ও শ্যামলী নামের প্রতিষ্ঠান। পরে শ্যামলীর সঙ্গে চুক্তি করে রেলওয়ে। চুক্তির পর পরই শ্যামলীর পানির মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিএসটিআই, বুয়েট এবং আইসিডিডিআর,বি থেকে পানি পরীক্ষা করে। তিন প্রতিষ্ঠানই ‘রেলপানি’কে নিরাপদ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। চলমান করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে রেলওয়ে ট্রেনে রান্না করা খাবার সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ১৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেনে আগের মতোই খাবার সরবরাহ করা হবে। একই দিন থেকে ট্রেনে রেলপানিও বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। সূত্র:বণিক বার্তা,


১৬ ডিসেম্বর চিলাহাটি-হলদিবাড়ি লাইনে রেল চলাচল শুরু: রেল মন্ত্রী

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেললাইন দিয়ে ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি ট্রেন চলাচল শুরু হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এ লাইন…