বাংলাদেশ রেলওয়ে

দূর্ঘটনা এড়াতে ও রেললাইন সুরক্ষিত রাখতে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে

।। নিউজ ডেস্ক ।। টিকিট ছাড়া বিনা প্রয়োজনে কেউ যেন বিভিন্ন স্টেশনে ঢুকতে না পারে সে জন্য একসেস কন্ট্রোল সিস্টেম শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরই মধ্যে বিমানবন্দর, জয়দেবপুর ও নরসিংদী—এই তিনটি স্টেশনে এই সিস্টেম চালু…

Read More

ট্রেনে নারীর জন্য আলাদা কামরা

শান্তা ইসলাম: যেসব নারী দুধের শিশু নিয়ে ট্রেনে ওঠেন, তারা নির্দ্বিধায় তার শিশুকে দুধ পান করাতে পারেন না। কারণ শত শত নারী-পুরুষে ঠাসা রেলের কামরায় নিজেরা বসতেই অস্বস্তিবোধ করেন। সেখানে শিশুদের দুধ পান করানো আরো…


বাংলাদেশ রেলখাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ তুরস্কের

।। নিউজ ডেস্ক ।। রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান। রোববার (১০ অক্টোবর) রেলভবনে মন্ত্রীর দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন তারা। সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রেল খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ…


পার্বত্য রাঙামাটিতে ৮৯২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হবে রেল লাইন সংযোগ

।। নিউজ ডেস্ক ।। পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম বৃহৎ জেলা রাঙামাটিকে সারাদেশের রেল লাইনের সাথে সংযুক্ত করতে যাচ্ছে সরকার। রাঙামাটির কাপ্তাইকে রেল পথের সাথে সংযুক্তকরণে ৪২ কিলোমিটার রেলপথ স্থাপনে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে রেলওয়ে। যার ব্যয়…


৯ মাসে ট্রেনে ছোড়া হয়েছে ১১০ পাথর, আহত ২৯

দেশের ১৪টি জেলায় ২০ স্পটে নিয়মিত ট্রেনে পাথর ছোঁড়া হয়ে থাকে। এর মধ্যে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চারটি জেলার পাঁচটি চিহ্নিত এলাকা হলো-চট্টগ্রামের পাহাড়তলী, সীতাকুন্ড, বাড়বকুন্ড, ফেনীর ফাজিলপুর-কালীদহ এবং নরসিংদী জেলার নরসিংদী, জিনারদী ও ঘোড়াশাল এলাকা। অন্যদিকে…


৩৪৭ ট্রেনের জন্য মাত্র আড়াই হাজার পুলিশ!

নিউজ ডেস্ক: চরম ঝুঁকিতে রয়েছে যাত্রীবাহী ট্রেন। পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ ফোর্স না থাকায় সব ট্রেনে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কর্মকর্তাসহ প্রায় আড়াই হাজারের জনবল নিয়ে রেলওয়ে পুলিশের অধীনে ৩৪৭টি যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালিত হয়। এরমধ্যে আন্তঃনগর…


রাবি ভর্তি পরিক্ষা উপলক্ষ্যে রাজশাহী গামী আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

।। নিউজ ডেস্ক।। আসন্ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষা ২০২০-২১ উপলক্ষে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজশাহী গামী সকল আন্তঃনগর ট্রেনের আগামী সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের ফেসবুক পেজে এই বিজ্ঞপ্তি…


ঝকঝকে তকতকে সবুজে ঘেরা দর্শনা রেলস্টেশন

নিউজ ডেস্ক: ১৮৭১ সালে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কলকাতা-গোয়ালন্দ রুটে রেল যোগাযোগ চালু করলে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী দর্শনা স্টেশনটি চালু হয়। এটিই দেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন। এটা বর্তমানে আমদানি-রফতানি শুল্ক স্টেশন হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। এ স্টেশনের ওপর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন যাতায়াত করে এবং এটা ব্যবহার করে ভারত থেকে প্রতিদিনই ট্রেনের ওয়াগানে বিভিন্ন পণ্য আমদানি করা হয়। প্রাচীন এ স্টেশন আগে ছিল অপরিষ্কার। স্টেশনের চারদিক ছিল ঝোপজঙ্গলে ভরা ও অন্ধকারে নিমজ্জিত। কিন্তু বর্তমানে সে চিত্র একেবারে ভিন্ন। স্টেশনটি এখন ঝকঝকে তকতকে, চারদিকে সবুজ গাছপালায় ঘেরা আর ঝলমলে আলোয় আলোকিত। এটি সম্ভব হয়েছে বর্তমান স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট মীর মো. লিয়াকত আলীসহ কর্মচারীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দর্শনা রেলওয়ে স্টেশনের পরিবেশ পাল্টে গেছে। সরেজমিনে দর্শনা রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, স্টেশনের দুই পাশে প্লাটফর্মের ফাঁকা জায়গাটুকু সম্পূর্ণ কাজে লাগিয়েছেন এখানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রথমে তারা ফাঁকা অংশটুকুতে ফুলের বাগান করেন। কিন্তু বাগান পরিচর্যার জন্য জনবল ও ফুলের চারা কিনে বাগান টিকিয়ে রাখার সামর্থ্য না থাকায় সেখান থেকে সরে আসতে হয়েছে তাদের। ওই স্থানটিতে লাগানো হয় আম, কাঁঠাল, বেল, নিম, দেবদারু, শিউলি ও বকুল ফুল গাছ। গাছগুলো ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। ফলদ গাছগুলোতে ফল ধরা শুরু হয়েছে। সবুজের সমারোহে ঘেরা স্টেশন চত্বর পাখির কলতানে মুখর থাকে। এ প্লাটফর্মে প্রতিদিন সকাল, বিকাল ও সন্ধ্যায় অনেকে হাঁটাহাঁটি করতে আসেন। তাছাড়া অনেকে এখানে নিরিবিলি বসে সময় কাটাতে আসেন। রেলযাত্রী এনজিও কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, এ স্টেশনে প্রবেশ করলেই মনটা জুড়িয়ে যায়। কোনো হইহট্টগোল ঠেলাঠেলি নেই। এখানে সবই সুন্দর পরিবেশে পরিচালিত হচ্ছে। এ রকম পরিবেশ অন্যান্য রেলস্টেশনে হওয়া প্রয়োজন। তাহলে রেল ভ্রমণের প্রতি যাত্রীরা আরো বেশী আগ্রহী হবেন। রেলস্টেশনে হাঁটতে আসা গৃহবধূ রিনা আক্তারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, স্টেশনটি নারীদের জন্য যথেষ্ট নিরাপদ। তাছাড়া এখানকার সবুজ গাছপালা বেষ্টিত পরিবেশে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। সেজন্যই এখানে আসি। মীর মো. লিয়াকত আলী বলেন, ২০১৫ সালে এখানে যোগ দেয়ার পর ঐতিহ্যবাহী এ রেলওয়ে স্টেশনটির পরিবেশ বেশ অপরিচ্ছন্ন ছিল। এখানকার চারপাশ খোলা ছিল। রাত হলেই স্টেশনটি অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে যেত। বর্তমান পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বেগ পেতে হয়েছে। সবার প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে। স্টেশনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। রেলস্টেশনের চারপাশে গাছপালা থাকায় এ গাছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি বসে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে। যখন দেখি ছায়াঘেরা পরিবেশে মানুষ তাদের সারা দিনের কর্ম সেরে এসে এখানে বিশ্রাম নিচ্ছে, তখন খুব ভালো লাগে। আমাদের মতো অন্যরা এটাকে অনুকরণ করলে রেলের প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ বাড়বে। সূত্র:বণিক বার্তা, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১


১২৫টি লাগেজ ভ্যান কিনতে যাচ্ছে রেল মন্ত্রণালয়

।। নিউজ ডেস্ক ।। কৃষকদের সহজেই ট্রেনে কৃষি পণ্য সরবরাহ সুবিধার্থে সারাদেশে কৃষিপণ্য পরিবহনে ১২৫টি লাগেজ ভ্যান কিনতে যাচ্ছে রেল মন্ত্রণালয়। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনে ২৪ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন…


কক্সবাজারের সঙ্গে দার্জিলিং রেল সংযোগ হবেঃ রেলমন্ত্রী

।। নিউজ ডেস্ক ।। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই কক্সবাজারের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ফেনী রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করে এ কথা…