বাংলাদেশ রেলওয়ে

আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি দ্রুততর করবে হাইস্পিড রেল

। নিউজ ডেস্ক ।। প্রতিনিয়ত নতুন এবং উন্নত প্রযুক্তির উৎকর্ষের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন উন্নত দেশে হাইস্পিড রেল (এইচএসআর) চালুর মধ্য দিয়ে পরিবহনব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিশ্বে এক অভাবনীয় রূপান্তর সাধিত হয়েছে। তবে মাত্র এক শতাব্দী আগেও কাউকে…


জনবল সংকটে বন্ধ শতাধিক রেল স্টেশন

।। নিউজ ডেস্ক ।। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একদিকে রেলওয়েতে সংযোজন হচ্ছে ইঞ্জিন, কোচ ও যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন রুট। বিদ্যমান ৪৪ জেলার নেটওয়ার্কের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে যুক্ত হচ্ছে আরও ১৫টি জেলা। অন্যদিকে কারিগরি জনবল সংকটে…


অ্যাপস বা ম্যাসেজের মাধ্যমে জানুন আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেনের বর্তমান অবস্থান

।। নিউজ ডেস্ক ।। বাংলাদেশ ডিজিটালায়নের সাথে সাথে সব এখন হাতের মুঠোয় চলে আসতেছে। তার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিষ্ঠানিক ভাবে জানিয়েছে, খুব সহজে এখন ঘরে বসেই অ্যাপ অথবা ম্যাসেজের মাধ্যমে জানতে পারবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেনের…


দেশে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে ৫২ রেল স্টেশন

।। নিউজ ডেস্ক ।। আধুনিকায়ন ও সংস্কার করা হচ্ছে ৫২ রেল স্টেশন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। রবিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এ কথা…


শতভাগ আসনে যাত্রী নিয়ে ১১ আগস্ট থেকে চলবে ট্রেন

।। নিউজ ডেস্ক ।। বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ায় বুধবার (১১ আগস্ট) থেকে ট্রেন চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এবার আর অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে নয়, আসন পূর্ণ করেই সব ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এ…


ট্রেনে চাদর, কম্বল ও বালিশ সরবরাহ স্থগিত

নিউজ ডেস্ক: সিদ্ধান্তের একদিন পরই ট্রেনের উচ্চশ্রেণির যাত্রীদের জন্য চাদর, কম্বল ও বালিশ সরবরাহ স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গতকাল বুধবার রেলের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে…


দ্বিতীয় দফায় আরো ১১ জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চালু

।।নিউজ ডেস্ক।। সাধারণ ছুটি শেষে গত ৩১ মে প্রথম দফায় আট জোড়া ট্রেন চালু করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গতকাল দ্বিতীয় দফায় আরো ১১ জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব ট্রেনের নির্ধারিত আসনের ৫০ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। আগের মতো এসব ট্রেন ভ্রমণেও যাত্রীদের কাউন্টারের পরিবর্তে শুধু অনলাইনে টিকিট ক্রয় করতে হবে। ধারাবাহিকভাবে চালু করা ট্রেনগুলো চলাচলে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনে সফলতা পেলে অন্যান্য ট্রেনও যাত্রী পরিবহনে চালু হতে পারে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। নভেল করোনাভাইরাসের কারণে ৬৭ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৩১ মে থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় গতকাল থেকে ১১ জোড়া ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল শুরু হয়। তবে ১১ জোড়া ট্রেনের মধ্যে যেসব ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার সেগুলো বৃহস্পতিবার থেকে চলাচল করবে। নতুন এসব ট্রেনের মধ্যে সাত জোড়া ঢাকা থেকে ও অন্য ট্রেনগুলো চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী পরিবহন করবে। চালু হওয়া ১১ জোড়া ট্রেনের মধ্যে রয়েছে ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার রুটের তিস্তা এক্সপ্রেস (৭০৭/৭০৮), ঢাকা-বেনাপোল রুটের বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৫/৭৯৬), ঢাকা-চিলাহাটি রুটের নীলসাগর এক্সপ্রেস (৭৬৫/৭৬৬), খুলনা-চিলাহাটি রুটের রূপসা এক্সপ্রেস (৭২৭/৭২৮), খুলনা-রাজশাহী রুটের কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস (৭১৫/৭১৬), রাজশাহী-গোয়ালন্দঘাট রুটের মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫/৭৫৬), চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটের মেঘনা এক্সপ্রেস (৭২৯/৭৩০), ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটের কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১/৭৮২) এবং ঢাকা-নোয়াখালী রুটের উপকূল এক্সপ্রেস (৭১১/৭১২), ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার রুটের ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস (৭৪৩/৭৪৪) এবং ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটের কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (৭৯৭/৭৯৮) ট্রেনগুলো। করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় সীমিত পরিসরে চলাচলরত ট্রেনগুলোর জন্য যাত্রীদের কঠোর স্বাস্থ্য নির্দেশনা পরিপালনে বাধ্য করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য যাত্রীকে মাস্ক পরিহিত অবস্থায় ট্রেন ছাড়ার ন্যূনতম ১ ঘণ্টা আগে স্টেশনে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ট্রেনের অভ্যন্তর ও প্লাটফর্মে হকার বা কুলি পণ্য বিক্রি করছে না। ট্রেনের ক্যাটারিং সার্ভিসও বন্ধ রাখা হয়েছে। ভিড় এড়াতে স্টেশনের প্লাটফর্ম টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখার পাশাপাশি প্লাটফর্মে প্রবেশ করতে যাত্রীকে আবশ্যিকভাবে টিকিট প্রদর্শন করতে হচ্ছে। আগে নির্ধারিত ট্রেনের ১০ দিন আগে অগ্রিম টিকিট বিক্রি হলেও বর্তমানে পাঁচদিন আগেই অনলাইনে অগ্রিম টিকিট ক্রয় করতে পারছেন যাত্রীরা। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালনের জন্য মাসিক ও স্বল্প দূরত্বের স্টেশনগুলো যেমন ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, নরসিংদীতে কোনো ট্রেন যাত্রাবিরতি রাখা হয়নি। বাংলাদেশ রেলওয়েতে চলাচলরত দৈনিক মোট ট্রেন সংখ্যা ৩৪৮টি। এর মধ্যে আন্তঃনগর ৮৬টি, লোকাল/মিক্সড/পিঅ্যান্ডডি ১২৬টি, মেইল এক্সপ্রেস-কমিউটার-ডেমু ১৩২টি। বাদবাকি ট্রেনগুলো আন্তঃদেশীয় ট্রেন। যদিও ২০১৯ সালের শেষ দিকে বেশ কয়েকটি আন্তঃনগর, আন্তঃদেশীয় নতুন ট্রেন যুক্ত করেছে রেলওয়ে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৫ মার্চ থেকে সারা দেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। যদিও পণ্যবাহী (খাদ্যশস্য, জ্বালানি ও কনটেইনার) ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে সাধারণ ছুটিকালীন সবজি ও কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য গত ১ মে থেকে তিনটি পার্সেল ট্রেন চালু করে রেলওয়ে। ৫ জুন থেকে গ্রাষ্মকালীন ফল অর্থাৎ আম পরিবহনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা রুটে একটি বিশেষ ট্রেন চালু করছে রেলওয়ে। সূত্র:বণিক বার্তা, জুন ০৪, ২০২০


শুধু এপ্রিল মাসেই ১৭০ কোটি টাকার আয় থেকে বঞ্চিত রেলওয়ে

শামীম রাহমান : স্বাভাবিক সময়েই লোকসানে চলছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। দুর্নীতি, পরিচালনায় অদক্ষতা আর ভুল পরিকল্পনায় বছরে হাজার কোটি টাকার ওপর লোকসান হয় সংস্থাটির। চলমান নভেল করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এ পরিবহন সংস্থার লোকসানের পাল্লা আরো ভারী করে তুলেছে। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় শুধু চলতি এপ্রিলেই ১৭০ কোটি টাকা লোকসান হতে যাচ্ছে রেলওয়ের। নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি চলছে দেশে। তখন থেকেই বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। সাধারণ ছুটি চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। সে হিসেবে এক মাস যাত্রী পরিবহন থেকে কোনো আয় হচ্ছে না রেলের। বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের এপ্রিলে ট্রেন পরিচালনা বাবদ আয় হয়েছিল ১৬৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকাএর মধ্যে যাত্রী পরিবহন করে আয় হয়েছিল ৮৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা মালামাল ও পার্সেল পরিবহন করে আয় হয়েছিল আরো ৪১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। বাকি প্রায় ৪২ কোটি টাকা আয় হয়েছিল বিবিধ খাতে। রেলওয়ের পরিচালন শাখার কর্মকর্তারা বলছেন, এপ্রিলজুড়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী, মালামাল, পার্সেলসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় ১৭০ কোটি টাকা আয়বঞ্চিত হচ্ছে রেলওয়ে। বছর শেষে এটি রেলওয়ের মোট আয়ের ওপর প্রভাব ফেলবে, যা রেলের লোকসানের পরিমাণকে আরো বাড়িবে দেবে বলে মনে করছেন তারা। রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে চলতি অর্থবছর আট কোটি যাত্রী পরিবহনের পরিকল্পনা করেছিল রেলওয়ে। পাশাপাশি মালামাল পরিবহনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩২ লাখ টন। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে (এপিএ) যাত্রী, মালামালসহ রাজস্ব আয়ে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ১০ শতাংশ। চলতি অর্থবছর যাত্রী পরিবহন বাবদ রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ। একইভাবে মালামাল পরিবহনে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ অর্থবছরে একাধিক নতুন ট্রেন চালু ও নতুন কোচ সংযোজনের কারণে রাজস্ব আয়ে ভালো প্রবৃদ্ধির আশায় ছিলেন রেলওয়ের কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আয় হবে না রেলওয়ের। রাজস্ব আয় না হলেও কলেবর বেড়ে যাওয়ায় পরিচালন ব্যয় তুলনামূলক বেশি হবে। ফলে অর্থবছর শেষে রাজস্ব আয় ও পরিচালন ব্যয়ে বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন তারা। দীর্ঘদিনের অবহেলিত রেলের উন্নয়নে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নেয়। লক্ষ্য ছিল উন্নয়ন ও যাত্রীসেবার মান বাড়িয়ে রেলকে লাভজনক করে তোলা। ২০০৮-০৯ থেকে ২০১৭-১৮ সময়ে ১৪ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকার ৬৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে রেলওয়ে। চলমান রয়েছে আরো ৪৮টি প্রকল্প, এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৮ হাজার কোটি টাকা। উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ সত্ত্বেও গত ১০ বছরে রেলওয়ের লোকসানের পাল্লা কেবল ভারীই হয়েছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে রেলওয়ের লোকসান হয়েছিল ৬৯০ কোটি টাকাপরের অর্থবছর তা বেড়ে ৮৬২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়একইভাবে ২০১১-১২ অর্থবছর ৯৬৩ কোটি, ২০১২-১৩ অর্থবছর ৭৫৮ কোটি, ২০১৩-১৪ অর্থবছর ৮০১ কোটি, ২০১৪-১৫ অর্থবছর ৮৭২ কোটি, ২০১৫-১৬ অর্থবছর ১ হাজার ৩২৫ কোটি, ২০১৬-১৭ অর্থবছর ১ হাজার ৫৩১ কোটি ও ২০১৭-১৮ অর্থবছর ১ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা লোকসান করে রেলগত অর্থবছর (২০১৮-১৯) সংস্থাটির লোকসানের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৩৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। নভেল করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এক মাস ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখায় এরই মধ্যে প্রায় ১৭০ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছে রেলপরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে যদি দীর্ঘ সময় লাগে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আরো বড় হবে ক্ষতির পরিমাণ, যা অর্থবছর শেষে রেলের লোকসানের পাল্লাকে আরো ভারী করবে বলে মত সংশ্লিষ্টদের। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বণিক বার্তাকে বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের বিরূপ প্রভাব কম-বেশি দেশের সব সেক্টরেই পড়তে যাচ্ছে। প্রায় এক মাস হতে চলল আমাদের ট্রেন চলছে নাট্রেন পরিচালনা বাবদ এই এক মাস কিন্তু রেলওয়ের কোনো আয় নেই। ক্ষতি তো হচ্ছেই ।তবে এ অবস্থায় ক্ষতিটা যেন কম হয়, সে পরিকল্পনা আমরা করছি। পণ্য পরিবহন বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে। শিগগিরই পণ্য পরিবহনের জন্য চারটি বিশেষায়িত ট্রেন চালু করা হবে। সুত্র:বণিক বার্তা, এপ্রিল ২২, ২০২০


রেলের সম্পদ উদ্ধারে প্রতিবন্ধকতা দূর করুন

লোকসানি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রেলওয়ে। অন্যদিকে হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বেদখলে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও বেদখল রোধ এবং মামলা-পরবর্তী জমি উদ্ধারে প্রতিষ্ঠানটির অক্ষমতা স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনি লড়াই কিংবা জমি উদ্ধারে রাজনৈতিক বা পেশিশক্তির…


সরকারি প্রতিষ্ঠানের দখলে রেলের ৯২২ একর জমি

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট জমির পরিমাণ ৬১ হাজার ৮৬০ একর। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮৪১ একর জমি রয়েছে অবৈধ দখলে। যার মধ্যে ৯২২ একর জমি দখল করে আছে বিভিন্ন করকারি প্রতিষ্ঠান। পূর্বাঞ্চলে (চট্টগ্রাম) বিভিন্ন…