রেলের ৩ কারখানাই ধুঁকছে

রেলের ৩ কারখানাই ধুঁকছে

শিপন হাবীব : ট্রেন, ট্রেনের কোচ, ওয়াগন, বয়লার, পিরিওডিক্যাল ওভারহোলিং (পিওএইচ), জেনারেল ওভারহোলিং (জিওএইচ) ও রক্ষণাবেক্ষণকারী ৩টি কারখানাই নানা সংকটে ধুঁকছে।
অপ্রতুল অর্থ বরাদ্দ ও দক্ষ লোকবলের অভাবে রেলওয়ের পাহাড়তলী, সৈয়দপুর ও পার্বতীপুরের এ ৩টি কারখানার কর্মক্ষমতা প্রায় শূন্যের কোটায় নেমেছে। এসব কারখানায় ট্রেন পরিচালনায় যাবতীয় যন্ত্রপাতি মেরামত করাসহ স্টিম রিলিফ ক্রেন ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত রেল কোচ, ওয়াগন ইঞ্জিন মেরামতের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হয়।

এছাড়া কারখানাগুলোতে ১ হাজার ২০০ রকমের খুচরা যন্ত্রাংশও তৈরি হয়ে থাকে। কিন্তু কাঁচামালের অভাব ও মেয়াদোর্ত্তীণ যন্ত্রাংশের কারণে সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে রয়েছে ৩টি কারখানাই।

এমন অবস্থার উত্তরণে কোচ মেরামত-নির্মাণ ও ইঞ্জিন মেরামতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগের যে, ধার করা শ্রমিক দিয়ে কারখানাগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।

রেলওয়ে সূত্র মতে, ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রেলওয়ের সৈয়দপুর ওয়ার্কশপ। আর চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ার্কশপের যাত্রা শুরু হয় ১৯৪৭ সালে। এ দুটি ওয়ার্কশপ রেলওয়ের দুই অঞ্চলে (পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চল) চলা ট্রেনের যেন রক্ষাকবচ।

১৯৯২ সালে চালু করা হয় পার্বতীপুরে কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা। এ তিন কারখানার বাইরে রেলের আর কোনো কারখানা নেই। তারপরও দৃশ্যমান আধুনিকায়নের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি এ কারখানাগুলোতে।

একদিকে যেমন কারখানাগুলো কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে, অপরদিকে লোকবল কমছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এরই মধ্যে রেলের যন্ত্রপাতি আর কোচ, ইঞ্জিন, ওয়াগনে আমূল পরিবর্তন আসায় ওয়ার্কশপ তিনটি নতুন ধাঁচে গড়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

কিন্তু এখনও পরিবর্তন আসেনি ওয়ার্কশপগুলোতে। রেল মন্ত্রণালয় ও একটি বেসরকারি সংস্থার সূত্র বলছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে কারখানাগুলো আধুনিকায়ন ও যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়া হলে রেলে বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর ওয়ার্কশপে বছরে ৯০০ কোচ ও ২ হাজার ৫০০ ওয়াগন মেরামতের সক্ষমতা থাকলেও ২০১২-১৩ অর্থবছরে মাত্র ১৪৭টি কোচ ও ১৬৮টি ওয়াগন, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৩২টি কোচ ও ১৪৮টি ওয়াগন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১২৬টি কোচ ও ১৫১টি ওয়াগন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১২৬টি কোচ ও ১৪৭টি ওয়াগন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১২৩টি কোচ ও ১১৯টি ওয়াগন মেরামত করা হয়। অথচ ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ওয়ার্কশপটিতে ৩২০টি কোচ ও ২৫৪টি ওয়াগন মেরামত করা হয়েছিল।

এতেই বোঝা যায়- কারখানাগুলোর কার্যক্ষমতা কতটা কমছে। সৈয়দপুরের এ কারখানাটিতে ২ হাজার ৮৩৪ জন জনবলের স্থলে বর্তমানে ১ হাজার ১৩ জন রয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে অবসরে যাবে আরও প্রায় সাড়ে ৫০০ জনবল।

এছাড়া ১৫৬ কর্মকর্তার পদের বিপরীতে কাজ করছেন ৬৬ জন। ৮৪২টি মেশিনের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে ৮৭ শতাংশ মেশিন। মাত্র ১৩ শতাংশ মেশিন মেয়াদের (২০ বছরের মধ্যে) মধ্যে রয়েছে। বাকিগুলোর অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ২০ বছর পেরিয়ে ২০০ বছরে গিয়ে ঠেকেছে!

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক মুহম্মদ কুদরত-ই-খুদা যুগান্তরকে বলেন, কারখানার সঙ্গে আমাদেরও প্রদীপ নিভু নিভু করছে। তবে, সর্বশক্তি দিয়ে হাজারও স্বল্পতার মধ্যে আমরা কাজ করছি।

লোকবল, আধুনিক যন্ত্রাংশ, কাঁচামাল ও দক্ষ শ্রমিকের অভাব চরম আকার ধারণ করছে। বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে কারখানাটি আধুনিকায়ন ও সংস্কারের। এটি যথাযথভাবে করতে পারলে সমস্যা কেটে যাবে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, রেলপথ সচিব, রেলওয়ে মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা কারখানাটি পরিদর্শন করে গেছেন। মন্ত্রী বলেছেন, চলমান কারখানাটি অত্যাধুনিক করার পাশাপাশি আরেকটা করাখানা তৈরি করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ৩৩১ পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া গেলেও তা করা হচ্ছে না। সব মিলিয়ে কারখানাটি বাঁচিয়ে রাখতে, কাজ চালিয়ে রাখতে ধার করে শ্রমিক আনা হচ্ছে। যে সব শ্রমিক রয়েছে তাদের দিয়ে ওভারটাইম করানো হচ্ছে।

একই অবস্থা পাড়াতলী ও পাবর্তীপুর রেলওয়ে কারখানায়ও। ১৯৮৭ সালে যাত্রার সময় পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপ যে অবস্থায় ছিল, এখনও যেন তেমন! আধুনিকায়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। এ কারখানায় ৪৪৯টি যন্ত্রপাতির মধ্যে ২৭১টির বয়স ৫০ থেকে ৮০ বছর পেরিয়ে গেছে। যন্ত্রপাতির আয়ুষ্কাল ২০ বছরের হিসাব অনুযায়ী মাত্র ১২ শতাংশের মেয়াদ রয়েছে।

এ অঞ্চলে ৯৩০টি কোচ ও ৬ হাজার ওয়াগন রয়েছে। এসব কোচ-ওয়াগন মেরামত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ২ হাজার ২০০ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১ হাজার ৫০ জন জনবল।

অবস্থার উত্তরণে দ্রুত জনবল নিয়োগ, নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয়, বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোসহ মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী ওয়ার্কশপ আধুনিকায়ন না করা হলে কারখানাটির শুধুমাত্র নামই থাকবে, কার্যক্রম থাকবে না। এসব তথ্য জানিয়েছেন কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী।

পাহাড়তলী রেলওয়ে কারাখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক এসএম মহিউদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, রেলওয়েতে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে নতুন ইঞ্জিন, কোচ ও ওয়াগনের সংখ্যা বাড়ছে।

কিন্তু এ কারখানাটির সক্ষমতা বাড়ানো যাচ্ছে না। বরং এ কারখানাটি দিন দিন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। নির্ধারিত জনবলের অর্ধেকও নেই। বর্তমানে যে হারে জনবল অবসরে যাচ্ছে, তা পূরণ করতে দ্রুত জনবল নিয়োগ করা না গেলে কারখানা চালানো সম্ভব হবে না। এ কারখানায় আলাদা করে একটি প্রকল্পে কোচ মেরামতের কাজ চলছে অস্থায়ী শ্রমিক দিয়ে।

তিনি বলেন, রেলে উন্নয়নের সঙ্গে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ছে- এ জন্য নতুন আরেকটা ওয়ার্কশপ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। আমাদের স্টাফরা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কাজ করে আরও ২ ঘণ্টা ওভারটাইম করছে।

২ হাজার ২০০ জনবলের স্থলে মাত্র ১ হাজার ৫০ জন রয়েছে। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘আমাকে লোকবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অর্থ বরাদ্দ দিলে দিনে প্রায় ৬টি গাড়ি মেরামত শেষে কারখানা থেকে বের করতে পারব।

কিন্তু বর্তমানে ২টি গাড়ি বের করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, যারা অবসরে যাচ্ছে তারা অভিজ্ঞ, কিন্তু ধার করে আনা শ্রমিকরা অভিজ্ঞ নয়। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ১০১ জন অবসরে চলে যাবে। ফলে সামনের দিনগুলো আরও অন্ধকার।
রেলওয়ের সব ট্রেনের ইঞ্জিন মেরামত করা হয় পাবর্তীপুর লোকোমোটিভ কারখানায়। এ কারখানাটির অবস্থা আরও নাজুক।

সম্ভাবনাময় কারখানাটির অবস্থা আজ গ্রামবাংলার সেই প্রবাদের মতো- ‘যার দৌলতে রামের মা; তারে তুমি চেন না।’ যে কারখানাটি রেলওয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঞ্জিন মেরামত করছে, তারই মূল্যায়ন হচ্ছে না।

বর্তমান সরকার একের পর এক ইঞ্জিন আমদানি করলেও মেরামতের একমাত্র এ কারখানাটি যেন কারও চোখে পড়ছে না। এখানে প্রতি অর্থবছরে ২৪ থেকে ৩০টি ইঞ্জিন মেরামত করার কথা থাকলেও গত অর্থবছরে মাত্র ১৪টি ইঞ্জিন মেরামত করা সম্ভব হয়েছে।

পাবর্তীপুর রেলওয়ে কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানার প্রধান নির্বাহী মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, ইঞ্জিন মেরামতের কাজে ব্যবহৃত ৯৯ শতাংশ যন্ত্রাংশই আমদানি করতে হয়। কোনো যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হলে জানাতে হয় চট্টগ্রামের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে।

ফলে যন্ত্রাংশ পেতেও দীর্ঘ সময় লাগে। তিনি বলেন, ভয়াবহ লোকবল স্বল্পতার মধ্য দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। ৫৪৫ জন জনবলের স্থলে ২৩৭ জন নিয়ে কাজ চলছে। ইঞ্জিন মেরামত খুবই টেকনিক্যাল কাজ। দক্ষ শ্রমিক ছাড়া কেউ এর কাজ বুঝবেই না। যারা আছে তারাও অবসরে চলে যাচ্ছে।

দ্রুত নিয়োগ না হলে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। লোকবলের অভাবে ওভারটাইম করানো হয়। তিনি বলেন, দেশের সব কয়টি ইঞ্জিন এখানে মেরামত করা হয়। যথাসময়ে কোনো কাজই করা সম্ভব হচ্ছে না। কম বরাদ্দ, লোকবলের সংকট ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পেতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে উৎপাদন দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।

সম্প্রতি ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের একটি প্রতিনিধি দল রেলওয়ের ওয়ার্কশপগুলো পরিদর্শন করে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংস্থাটি রেলওয়ের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়ার্কশপগুলো বাঁচাতে হলে লোকবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অর্থ বরাদ্দ না করলে কারখানাগুলোর অস্তিত্ব থাকবে না। সংস্থাটির প্রোগ্রাম অফিসার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, রেলের প্রাণ হচ্ছে এ তিনটি কারখানা। কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য কারণে কারাখানাগুলোকে আধুনিকায়ন তথা সময় উপযোগী করা হচ্ছে না।

আমদানি নির্ভর কোচ ওয়াগন ও ইঞ্জিন কেনার মাধ্যমে লাভবান হচ্ছে একটি মহল। ফলে, চোখ পড়ছে না কারখানাগুলো আধুনিকায়নে। ২০১৪ সালে আমরা বেশ কতগুলো প্রস্তাব দিয়েছিলাম, যার একটিও কার্যকর হয়নি। অবস্থার উত্তরণে দ্রুত জনবল নিয়োগ, নতুন যন্ত্রপাতি কেনা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করা, বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো, ওয়ার্কশপগুলো আধুনিকায়নসহ বেশকিছু সুপারিশ করে ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট।

রেলওয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) কাজী রফিকুল আলম জানান, রেলওয়ের উন্নয়নে ৩০ বছর মেয়াদি (২০১৬-৪৫) খসড়া মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এতে ৩০ বছরে ৫ হাজার ১৪৩টি কোচ ও ৬ হাজার ৪৩৯টি ওয়াগন সংগ্রহ করার কথা বলা হয়েছে। কাজেই অতি দ্রুত শূন্য পদে লোক নিয়োগ করা প্রয়োজন। নতুন নিয়োগ হলে এসব জনবল ক্রমান্বয়ে দক্ষ জনবলে রূপান্তরিত হয়ে রেল কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আমরা সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি।

রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, বর্তমান সরকার রেলওয়েতে ব্যাপক উন্নয়ন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় রেলওয়ের কারখানাগুলো আধুনিকায়ন তথা লোকবল নিয়োগসহ কাঁচামাল সরবরাহ করা খুবই জরুরি।

দিন দিন ট্রেনসহ কোচ ও ওয়াগন বাড়ছে। এতে করে শুধু চলমান কারখানাগুলোকেই আধুনিকায়ন করতে হবে তা নয়, নতুন করে অত্যাধুনিক কারখানাও তৈরি করতে হবে। আমরা পাহাড়তলী কারাখানায় একটি আলাদা প্রকল্পের মাধ্যমে কোচ-ওয়াগন মেরামতের কাজ করছি।

একই সঙ্গে সৈয়দপুর কারখানাটি দ্রুত উন্নয়নের পাশাপাশি ভারতীয় অর্থায়নে আরেকটি কারখানা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তথা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে লোকবল নিয়োগের চাপ আমাদের ওপর সব সময়ই রয়েছে।

শূন্য পদে লোকবল নিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। মামলা-মোকাদ্দম থাকায় অনেক নিয়োগ কার্যক্রম সম্পূর্ণ করা যাচ্ছে না। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই আমরা কারখানায় শূন্যপদ পূরণে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করব।

সুত্র:যুগান্তর, ২০ মে ২০১৮


About the Author

RailNewsBD
রেল নিউজ বিডি (Rail News BD) বাংলাদেশের রেলের উপর একটি তথ্য ও সংবাদ ভিত্তিক ওয়েব পোর্টাল।