Articles by RailNewsBD

পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতুতে রেলপথ বাস্তবায়ন কমিটির সভা

নিউজ ডেস্ক: পাটুরিয়া বরাবর প্রস্তাবিত দ্বিতীয় পদ্মা সেতুতে রেললাইন বাস্তবায়ন আন্দোলন কমিটি গতকাল স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি গোলাম সারোয়ার ছানু সভাপতিত্ব করেন। কমিটির নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট দীপক ঘোষ, অধ্যাপক…


বিনিয়োগে আগ্রহী চীনের দুই কোম্পানি, পিপিপিতে নির্মাণের প্রস্তাব

শামীম রাহমান : ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইস্পিড রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এজন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পর চীন ও বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে রেলপথটির বিস্তারিত নকশাও তৈরি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে রেলপথটি নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের দুই প্রতিষ্ঠান। চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিআরসিসি) ও চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে রেলপথটি নির্মাণের প্রস্তাব করেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইস্পিড রেলপথটি নির্মাণ করতে চায় চীনের নির্মাণ খাতের প্রতিষ্ঠান সিআরসিসি ও সিসিইসিসি। বাংলাদেশের চীনা দূতাবাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দুটি এ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে সরকারের পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির কাছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মতামত চাওয়ার জন্য এ প্রস্তাবটি বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি। বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন নির্মাণের জন্য ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম ভায়া কুমিল্লা/লাকসাম দ্রুতগতির রেলপথ নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে করা হয়েছে রেলপথটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যাতে খরচ হয়েছে ১১০ কোটি টাকা। সমীক্ষায় হাইস্পিড রেলপথটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৪০ কোটি ডলার (শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম অংশ)। বর্তমান বিনিময় হারে (প্রতি ডলারে ৮৪ টাকা ৮৭ পয়সা) এর পরিমাণ ৯৬ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। এ বিনিয়োগের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টারনাল রেট অব রিটার্ন (এফআইআরআর) ধরা হয়েছে ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর ইকোনমিক ইন্টারনাল রেট অব রিটার্ন (ইআইআরআর) ধরা হয়েছে ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। হাইস্পিড রেলপথটি নির্মাণ করা হবে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা-ফেনী-চট্টগ্রাম রুটে। রুটটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২২৭ কিলোমিটার। রেলপথটি হবে শুধু যাত্রী পরিবহনের জন্য। ডিজাইন স্পিড ধরা হয়েছে প্রতি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার। স্ট্যান্ডার্ড গেজের দুটি লাইন নির্মাণ করা হবে, যেগুলোর এক্সেল লোড হবে ১৭ টন ধারণক্ষমতার। বিদ্যুচ্চালিত রেলপথটি হবে পাথরবিহীন। ব্যবহার করা হবে অত্যাধুনিক ‘অটোমেটিক ব্লক’ সিগন্যাল ব্যবস্থা। রেলপথটিতে একটি ট্রেন বিরতিহীনভাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যেতে সময় নেবে ৫৫ মিনিট। আর বিরতি দিয়ে চললে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছতে সময় লাগবে ৭৩ মিনিট। দিনে প্রায় ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা যাবে হাইস্পিড রেলপথটি দিয়ে। চীনের দুটি কোম্পানি পিপিপির মাধ্যমে নির্মাণের প্রস্তাব করলেও হাইস্পিড রেলপথটির অর্থায়ন পদ্ধতি এখনো চূড়ান্ত করে উঠতে পারেনি রেলপথ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টাকার অংকে এটি হবে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা কঠিন। বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানতে চাইলে হাইস্পিড রেলপথটির ‘সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. কামরুল আহসান বণিক বার্তাকে বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশার কাজগুলোই করছি। অর্থায়ন বা বিনিয়োগের বিষয়ে আমরা কোনো কাজ করছি কিনা। এমনকি প্রকল্প পিপিপি বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে হবে—তা-ও ঠিক হয়নি। বর্তমানে রেলপথটির নকশা তৈরির কাজ চলমান আছে। প্রকল্প পরিচালক ড. কামরুল আহসান জানিয়েছেন, নকশা প্রণয়ন কাজের মেয়াদ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত থাকলেও তা এরই মধ্যে শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। আগামী মার্চের মধ্যে চূড়ান্ত নকশা তৈরি হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি। চীনের ‘চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন’ (সিডিআরসি) ও বাংলাদেশের ‘মজুমদার এন্টারপ্রাইজ’ বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ করছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ নির্মাণে বিনিয়োগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বণিক বার্তাকে বলেন, এটা অনেক টাকার প্রকল্প। বিদেশী সাহায্য ছাড়া আমাদের পক্ষে বাস্তবায়ন করা কঠিন। বিনিয়োগের জন্য আমরা প্রয়োজনীয় কাজগুলো করে যাচ্ছি। মন্ত্রী আরো বলেন, হাইস্পিড রেলপথের সঙ্গে আরো কিছু বিষয় জড়িত। রেলপথটিতে যেসব ট্রেন চলাচল করবে, সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আলাদা ওয়ার্কশপ লাগবে। দক্ষ জনবলও লাগবে। রেলপথটি যেহেতু এলিভেটেড হবে, সেহেতু কমলাপুরের সঙ্গে এর সংযোগটি নিয়েও বিশদ পরিকল্পনার প্রয়োজন। হাইস্পিড ট্রেনের বিষয়টা মাথায় রেখে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনটি আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সব কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। সূত্র:বণিক বার্তা, জানুয়ারি ০৯, ২০২১


রেলের ইঞ্জিন ফেইলিউর বাড়লেও দায় নেই কারও!

ইসমাইল আলী: রাজশাহী-বাংলাবান্ধা রুটে চলাচল করে বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস (৮০৩ আপ ও ৮০৪ ডাউন) ট্রেন। গত ৮ নভেম্বর ট্রেনটিতে ৬৫১৩নং ইঞ্জিন সংযুক্ত ছিল। রাজশাহী থেকে ছেড়ে যাওয়া ৮০৩নং আপ ট্রেনটি মাধনগর স্টেশনে পৌঁছালে ৩নং বিয়ারিংয়ের এক্সেল বক্স…


ভুলে ভরা পরিকল্পনায় ঢাকা-টঙ্গী তৃতীয় ও চতুর্থ রেলপথ নির্মাণ!

ইসমাইলআলী: ঢাকা-টঙ্গী রেলপথ তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পটি নেয়া হয় ২০১২ সালের নভেম্বরে। তবে আট বছরে এর অগ্রগতি খুবই কম। এর মূল কারণ ভুল পরিকল্পনা। আর তা সংশোধনে এরই মধ্যে কয়েক…


তুরস্ক-ইরান-পাকিস্তান রেল সংযোগ পুনরায় চালুর উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক: তিন দেশের সংযোগকারী একটি রেললাইন পুনরায় চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তুরস্ক, ইরান ও পাকিস্তান। আইটিআই ট্রান্সন্যাশনাল রেলপথটি নিয়ে তিন দেশের সরকার নতুন বছরেই আলোচনা এগিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করছে। রেললাইনটি তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহর থেকে শুরু করে ইরানের রাজধানী তেহরানকে সংযুক্ত করে তা একেবারে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছবে। পরবর্তী সময়ে তা চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড হাইওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। খবর নিক্কেই এশিয়া। ইকোনমিক কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (ইকো) আওতায় ২০০৯ সালে এ তিন দেশের পক্ষ থেকে একটি কনটেইনার ট্রেন উদ্বোধন করা হয়েছিল। কিন্তু তখন সেটি শুধু পরীক্ষামূলক পর্যায়েই ছিল এবং তা আর পূর্ণমাত্রায় চালু হয়নি। তবে তিন দেশই পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি ওই রেলপথ কাজে লাগিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু করার বিষয়টিও সবসময় বিবেচনায় রেখেছে। ১৯৮৫ সালে ইরান, পাকিস্তান ও তুরস্ক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট ইকোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০। ইকোর অন্য সাত সদস্য হচ্ছে আজারবাইজান, আফগানিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান। চীনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে তিন দেশের মধ্যকার এ রেললাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে। তিন দেশের মধ্যে যে রেললাইনটি রয়েছে, তা ৬ হাজার ৫৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ; যা পৃথিবীর মোট পরিধির এক-ষষ্ঠাংশ। রেলপথের ১ হাজার ৯৫০ কিলোমিটার পড়বে তুরস্কে। এছাড়া ইরান ও পাকিস্তানে পড়বে যথাক্রমে ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার ও ১ হাজার ৯৯০ কিলোমিটার। তুরস্ক থেকে পাকিস্তানের রাজধানী পর্যন্ত যেতে যেখানে সমুদ্রপথে ২১ দিন সময় লাগে, সেখানে রেলপথে ১০ দিন সময় লাগবে। পরবর্তীকালে পাকিস্তান থেকে রেললাইনটি উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত চীনের জিনজিয়াং প্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত করা সম্ভব হবে বলে জানা গিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাকিস্তানের এক সরকারি কর্মকর্তা নিক্কেইকে বলেন, আইটিআই রেলপথটি পাকিস্তানের এমএল-১ রেললাইনের মাধ্যমে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের স্বায়ত্তশাসিত উইঘুর অঞ্চলকে সম্পৃক্ত করবে। ৬৮০ কোটি ডলারে নির্মিতব্য এমএল-১ প্রকল্পটি চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোরের (সিপিইসি) সবচেয়ে বড় প্রকল্প। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আইটিআই প্রকল্পটি চীন নেতৃত্বাধীন বিআরআইয়ের বর্ধিত একটি অংশ। চীনের বিআরআইয়ের সঙ্গে তেহরানকে যুক্ত করা হলে তেহরানের জন্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়ানো অনেক সহজ হবে। এটি হবে ইরানের জন্য বিকল্প বাণিজ্য পথ। এই নতুন রেলপথে যুক্ত হলে ইরানের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাছাড়া বাণিজ্য অর্থনীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক দিক থেকেও এমন ঘটনার একটা আলাদা তাত্পর্য রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য করতে ইরানকে রোখা একেবারেই অসম্ভব। এশিয়া রিসার্চ সেন্টারের পশ্চিম এশিয়াবিষয়ক গবেষক লুকাস প্রাইসভস্কি বলেন, আইটিআই রেলপথের মতো অবকাঠামো প্রকল্পগুলো ইরানের অর্থনীতি চাঙ্গায় ভূমিকা রাখবে। এদিকে পাকিস্তানের জন্য বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে হয়তো কিছুটা সংকটের মুখোমুখি হতে হবে। গত সপ্তাহে এমএল-১ প্রকল্পের ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে ইসলামাবাদের কাছে অতিরিক্ত গ্যারান্টি দাবি করেছে বেইজিং। বিশালাকার ওই রেলওয়ে প্রকল্প চীন কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পাকিস্তান হয়তো বিআরআই কাঠামোর বাইরে থেকে ঋণ নেবে। চীনের কাছ থেকে পাকিস্তান রাজনৈতিক সহায়তা পেলেও আইটিআই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা না পাওয়ারই সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র:বণিক বার্তা, জানুয়ারি ০৩, ২০২১


নোয়াখালী-ঢাকা রুটে রেলওয়ের যাত্রীসেবা বেহাল

আকাশ মো. জসিম: তলানিতে ঠেকেছে নোয়াখালী-ঢাকা রুটে রেলওয়ের যাত্রীসেবার মান। ট্রেনের যাত্রীসেবায় নির্দিষ্ট নিয়ম ও উদ্যোগ থাকলেও তা মানা হচ্ছে কাগজে কলমে। ফলে যাত্রীদের নিয়মিত ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকার যাত্রীসেবার…


অবৈধভাবে দখলে থাকা চট্টগ্রাম রেলের ভূমি উদ্ধার

।। নিউজ ডেস্ক ।। বন্দর নগরী চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলে থাকা রেলের প্রায় এক দশমিক ১২ একর ভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সেমিপাকা, টিনশেড ও ঝুপড়ি মিলিয়ে ৩০৬টি ছোট-বড় স্থাপনা।…


রেলের শীর্ষস্থানীয়দের দুর্নীতি

রেলের শীর্ষস্থানীয়দের দুর্নীতি

নিউজ ডেস্ক: এবার রেলের ডিজি-এডিজির (মহাপরিচালক-অতিরিক্ত মহাপরিচালক) বিরুদ্ধে উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ। রেল ইঞ্জিন (লোকোমোটিভ) ক্রয় ও সরবরাহের ক্ষেত্রে উঠেছে এই অভিযোগ। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে ৩২২ কোটি টাকায় কোরিয়ার হুন্দাই রোটেন কোম্পানি ১০টি মিটারগেজ ইঞ্জিন…


অন্ধকারে কমিটির সুপারিশ

শিপন হাবীব  :বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনার পর গঠিত প্রায় ৯০ ভাগ তদন্ত কমিটির সুপারিশ আলোর মুখ দেখে না। ফলে প্রতিবেদনগুলোতে যে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয় তার অধিকাংশই বাস্তবায়ন হয় না। নেয়া হয় না কারও বিরুদ্ধে…


কত প্রাণ গেলে সংবিৎ ফিরবে রেলে?

 ড. হারুন রশীদ : দায়িত্বে অবহেলার পরিণাম কী ভয়াবহ আর মর্মান্তিক হতে পারে, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ জয়পুরহাটে রেলের ধাক্কায় বাসের ১২ যাত্রীর প্রাণহানির ঘটনাটি। শনিবার সকালে ঘটেছে এ দুর্ঘটনা। জয়পুরহাট থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস…