Articles by RailNewsBD

নতুন স্টপেজ চালু হলো রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের

ঢাকা থেকে রংপুরগামী আন্তঃনগর রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের তালোড়া স্টেশনে নতুন স্টপেজ চালু হয়েছে। বর্তমানে ট্রেনটি এই স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিয়ে যাত্রী নেওয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি জানা যায়। বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী…


ঈশ্বরদী-রাজশাহী-রহনপুর রুটে কমিউটার ট্রেন চলবে বৃহস্পতিবার

ঈশ্বরদী-রাজশাহী-রহনপুর রুটে চলাচলকারী ৫৭/৫৮/৭৭/৭৮ কমিউটার ট্রেন আগামী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থেকে আবার চলাচল করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজারের (জিএম) কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে…


পণ্য পরিবহনে নৌ ও রেলপথ প্রাধান্য পাক

পণ্য বাণিজ্যের সহায়ক পরিবেশ বিনির্মাণের সঙ্গে পরিবহনে ব্যবহূত মাধ্যমটির নিবিড় আন্তঃসম্পর্ক বিরাজমান। যত কম খরচে, নির্ঝঞ্ঝাটে ও দ্রুততম সময়ে পণ্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পরিবহন করা যায়, যেকোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য তত বেগবান হয়। এটি বাংলাদেশের জন্যও সত্য। বদ্বীপ ও নদীমাতৃক হওয়ায় আমাদের দেশের প্রকৃতিদত্ত একটি আপেক্ষিক সুবিধা হলো সুবিস্তৃত নৌপথ। সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা নদীগুলো একটি অন্যটির সঙ্গে সংযুক্ত। উৎসস্থল ও সমুদ্র মোহনায় মিলিত হওয়ার স্থান ছাড়া নদীর চলার পথ অন্তহীন। ফলে যেকোনো জায়গায় নির্বিঘ্নে পণ্য পৌঁছানো যায়। স্বাভাবিকভাবে অতীতে তাই পণ্য পরিবহনে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে নদীপথ। এদিকে বাংলাদেশের আরেকটি আপেক্ষিক সুবিধা হলো ঔপনিবেশিক শাসনের সুবাদে প্রাপ্ত রেলপথ। ব্রিটিশ আমলেই এ অঞ্চলের বাণিজ্য ও কৃষির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি জনপদই রেলপথের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তা আরো বিস্তৃত হয়েছে। একসঙ্গে বেশি পণ্য বহনের সুযোগ এবং নিরাপদ ও ব্যয়সাশ্রয়ী মাধ্যম হওয়ায় সংগত কারণে এমনকি মধ্য আশির দশক পর্যন্ত রেলপথ ছিল অভ্যন্তরীণ পণ্য বাণিজ্যের প্রাধান্যশীল যোগাযোগের ধরন। বলা চলে, উল্লিখিত দুটি মাধ্যমেই ছিল আমাদের পণ্য পরিবহনের প্রধান ভরসা। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, সময়ের পরিক্রমায় এক্ষেত্রে বড় ধরনের ছেদ ঘটে পণ্য পরিবহন এখন অতিমাত্রায় সড়কনির্ভর। এতে বাড়ছে ব্যয়। তুলনামূলক বিচারে দক্ষিণ এশিয়ায় সড়কপথে বাংলাদেশে ব্যয় অনেক বেশি। এক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, সাত টনের বাহনে সড়কপথে কিলোমিটারপ্রতি খরচ বাংলাদেশে যেখানে সাড়ে ৯ সেন্ট, সেখানে ভারত ও পাকিস্তানে এ ব্যয় আড়াই সেন্টেরও কম। তার মানে এখানে প্রতিবেশী দেশ দুটির চেয়ে পরিবহন খরচ তিন গুণেরও বেশি। এটিও পুরো চিত্র নয়। দেশের সড়কভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা ভয়াবহ বিশৃঙ্খল। পথে পথে নানা ধরনের চাঁদা, অন্যায্য মাশুল আদায়ের হয়রানি। এটি হিসাবে আনলে প্রকৃত ব্যয় আরো বেশি হবে। তদুপরি রয়েছে ভাঙাচোরা সড়ক ও ফেরিঘাটের যানজটের বাড়তি ভোগান্তি। ফলে বড় শহরগামী পণ্য বোঝাই করা ট্রাকগুলোর সংশ্লিষ্ট বাজারগুলোয় পৌঁছতে সময় লাগছে বেশি। এতে বিশেষত কৃষিপণ্যের একটা অংশ নষ্ট হওয়ার শঙ্কা থাকছে। এটি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সুফলের দিক থেকে কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। সুতরাং পণ্য পরিবহন সড়কনির্ভরতা কমানোর সময় এসেছে। তুলনামূলক সুবিধা সত্ত্বেও নৌপথ ও রেলপথের বিপরীতে বর্তমানে সড়ক পরিবহনের প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠার কিছু বাস্তবিক কারণ বিদ্যমান। এর মধ্যে দ্রুততম সময়ে পণ্য পৌঁছানো এবং গ্রাম পর্যন্ত সড়কের বিস্তৃতি প্রধান কারণ। সরকার সড়ক অবকাঠামো নির্মাণে বেশি জোর দেয়ায় এমনকি প্রত্যন্ত এলাকায়ও সড়কের সম্প্রসারণ ঘটেছে। ফলে সবাই সড়কমুখী হয়েছে। এতে সড়কে পরিবহন খরচ যেমন বেড়েছে, তেমনি যানজটও ভয়াবহ মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। উপরন্তু বেশির ভাগ পণ্যবাহী গাড়িই নির্ধারিত ওজনসীমার চেয়ে বেশি পণ্য পরিবহন করায় সড়ক-মহাসড়কের ক্ষতি করছে। কমছে সড়কের আয়ুষ্কাল। স্থায়িত্বের বিবেচনায়ও সড়কনির্ভরতা ব্যয়সাশ্রয়ী নয়। কাজেই এ প্রবণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।  সড়কে পণ্য পরিবহনের দৃশ্যপটে পরিবর্তন আনতে হলে নৌপথ ও রেলব্যবস্থাকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। নাব্যতা সংকটে নদীগুলো ভরাট হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালীদের দ্বারা বেদখলের শিকার হয়েছে। ফলে নদী ও নৌপথগুলো আজ ক্রমসংকোচনের পথে। নৌপথগুলোকে সচল করতে হলে ক্যাপিটাল ড্রেজিংপূর্বক নাব্য সংকট দূর করতে হবে। আবার নদীবন্দরগুলোরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত নদীরবন্দরগুলো অনেকটা অবহেলায় পড়ে আছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সংস্কার করে সেগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। নদীপথের সঙ্গে সড়কপথের সহজ সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে বন্দরে পৌঁছে স্বল্প দূরত্বের সড়ক ব্যবহার করে পণ্য সঠিক সময়ে সুষ্ঠুভাবে বাজারে পৌঁছতে পারে। সর্বোপরি, উন্নয়ন পরিকল্পনায় নদীকে প্রাধিকার দিতে হবে। সমরূপভাবে রেল ব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজাতে হবে। বিগত বছরগুলোয় রেল খাতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ হয়েছে উন্নত সেবা জোগাতে। এক্ষেত্রে অবশ্য বেশি প্রাধান্য পেয়েছে যাত্রী পরিবহন। স্বভাবত রেলের যাত্রী বেড়েছেও আগের তুলনায়। কিন্তু রেলে পণ্য পরিবহনের বিষয়টি নীতিনির্ধারণী মহলে খুব একটা গুরুত্ব পায়নি। যদিও চলমান মহামারীর মধ্যে পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে কিছুদিন আগে সহায়ক ভূমিকায় দেখা গেছে রেলপথকে। এটি মাথায় নিয়ে পরিকল্পনা নিতে হবে। রেলপথের আরো সম্প্রসারণের সঙ্গে প্রধান প্রধান জংশন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর সঙ্গে সড়ক অবকাঠামোর সংযোগ ঘটাতে হবে। এমনটি হলে ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহনে রেলপথ ব্যবহারে উদ্যোগী হবে বৈকি। ভৌগোলিকভাবে সমরূপ দেশ, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো কীভাবে নৌ ও রেলনির্ভর একটি ব্যয়সাশ্রয়ী পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, সেই অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য সহায়ক হতে পারে। সঠিক নীতি পরিকল্পনায় পণ্য পরিবহনে নৌ ও রেলপথের পুনরুজ্জীবনে সরকার যথাযথ উদ্যোগ নেবে বলে প্রত্যাশা। সূত্র:বণিক বার্তা, অক্টোবর ০৩, ২০২০


রেল সেতু নির্মাণ ও সংস্কারে আশু উদ্যোগ প্রয়োজন

দেশের বেশিরভাগ রেল সেতু ব্রিটিশ আমলে নির্মিত। ৯০ শতাংশেরই আয়ুষ্কাল শেষ। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলে বিঘœ ঘটে। শত বছরের পুরোনো সেতু প্রায়ই মেরামত করতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ-জরাজীর্ণ ও জোড়াতালি দিয়ে মেরামত করা সেতুর…


সারা দেশে মেয়াদোত্তীর্ণ রেল সেতু ১২৭০টি

ইসমাইল আলী: বাংলাদেশ রেলপথ রয়েছে দুই হাজার ৮৭৭ কিলোমিটার। আর এসব পথে ছোট-মাঝারি ও বড় মিলিয়ে তিন হাজার ৬৫০টির বেশি রেল সেতু রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ২৭০টি সেতুর আয়ুষ্কাল পেরিয়ে গেছে। তাই মেয়াদোত্তীর্ণ এসব রেল…


ঝুঁকিপূর্ণ ট্রেন চলাচল

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ও আলতাবনগর রেলস্টেশনের মাঝে স্থানীয়ভাবে ‘বড় পুল’ নামে পরিচিত রেলব্রিজের ওপর ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ট্রেন। ব্রিজে রেল-ক্লিপ, নাট-বোল্ট নেই। পুরনো স্লিপারগুলো এলোমেলো হয়ে সেতুটি এখন বিপজ্জনক। এর ওপর দিয়ে সান্তাহার-লালমনিরহাট…


পদ্মা সেতুতে প্রথম দিন থেকেই চলবে ট্রেন: রেলপথ মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সেতুতে প্রথম দিন থেকেই গাড়ির সঙ্গে রেল যোগাযোগও চালু হবে। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন আজ বৃহস্পতিবার পদ্মা সেতুর রেল…


‘সরকারকা মাল দরিয়ামে ঢাল’

‘ফাও খেতে চাও ফাও, ওয়াসার কাছে যাও, পানির সাথে পাবে গোবরি পোকার ছাও।’ কথাগুলো কবি শামসুর রাহমানের কবিতা থেকে নেওয়া। সরকারি মাল মানেই ফাও, সরকারি মাল মানেই তার মূল্য নাই, সরকারি মাল মানেই মানহীন, সরকারি…


পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্প রি-ডিজাইনের সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক: দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পদ্মা সেতুর ডিজাইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় রেল সংযোগ প্রকল্প ‘রি-ডিজাইন’ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ত্রুটি সংশোধনের জন্য রেলের গার্ডার সরিয়ে ফেলতে হবে। সড়কের সঙ্গে রেললাইনের হেডরুম উচ্চতা কমপক্ষে পাঁচ দশমিক…


ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে বিলাসবহুল ট্যুরিস্ট কার

মফিজুল সাদিক : দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমধুম রেল লাইন প্রকল্পের কাজ চলমান। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগোলে ২০২২ সালেই ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু করা যাবে এবং সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে।দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ কাজ শেষ হলে পর্যটন…